কলকাতায় মা উড়ালপুলে একের পর এক মাঞ্জা সুতোর কারণে মানুষের প্রাণ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। তাই এবার সেই দুর্ঘটনা এড়াতে মাঠে নামল লালবাজার। এবার থেকে প্রতিদিন মা উড়ালপুলে নজরদারি চালাবেন পুলিশ কর্মীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিদিন দুপুর তিনটে থেকে সন্ধে পর্যন্ত মা উড়ালপুলে পাঁচ পুলিশ কর্মীর একটি টিম নজরদারী চালাবে। মূলত পার্ক সার্কাস সংলগ্ন এলাকায় তাঁরা নজরদারি চালাবেন। এই সময় যদি কোনো ঘুড়িকে তাঁরা কাটতে দেখেন, তাহলে সেটি যেন কোনো বাইক আরোহীকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে নজর দেবে পুলিশ।
উল্লেখ্য, মে মাসে খিদিরপুরের এক বাসিন্দা আফতাব খান লকডাউনের মধ্যেই মা উড়ালপুলের ওপর দিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন। রাস্তা ফাঁকা থাকায় বাইকের গতিও বেশ তীব্র ছিল। এর পরই ঘটে যায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। বছর ৪০-এর ওই ব্যক্তি মা উড়ালপুলে আটকে থাকা মাঞ্জা সুতোর ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভয়ংকরভাবে তাঁর গলা কেটে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপকভাবে রক্তপাত শুরু হয়। ওই অবস্থাতে তিনি বাইক চালিয়ে নিজের এলাকায় পৌঁছন এবং স্থানীয়দের সাহায্যে হাসপাতালে পৌঁছান। তবে যতক্ষণে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ততক্ষণে সব শেষ। ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তবে শুধু মাঞ্জা সুতো থেকে রক্ষা করতে নয় বরং যানবাহন নিয়ন্ত্রণেরও ব্যবস্থা নিতে চলেছে পুলিশ। উড়ালপুলে পুলিশের দুটি কিয়স্কও তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে উড়ালপুলের যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও পাশাপাশি ঘুড়ির উপরও নজর রাখা হবে যাতে আগামী দিনে বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।





