শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনের ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের সংঘাত এখন তুঙ্গে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল যে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে পরবর্তীতে জানা যায়, আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে মমতাকে। সেই নিয়েও বিজেপিকে দাগলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ।

আজ, সোমবার শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। কিন্তু তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল যে স্মৃতি ইরানির হাত ধরে কেন এই উদ্বোধন হবে? অন্যদিকে ঘাসফুল শিবির এই অভিযোগও করেছিল যে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
জানা যায়, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নাম ছিল না কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। তবে তা সামাল দিতেই আসরে নামে কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, পরবর্তীতে শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। গতকাল, রবিবার আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয় তাঁকে।
তবে এই আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো নিয়নিয়েও বিজেপিকে তোপ দাগতে ছাড়েন নি তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, “কুৎসিত রাজনীতি করছে বিজেপি। আগেরদিন রাতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে একটা কার্ড ফেলে দিয়ে এল। এটা আমন্ত্রণই না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে যাবতীয় মেট্রো হয়েছে। উনি রেল মন্ত্রী থাকাকালীন টাকা বরাদ্দ করেছেন। জমির ব্যবস্থাও করেছেন। আর আজকে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। রাতে গিয়ে একটা চিঠি ফেলা হল”।

এরপর বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “মোদী-শাহ্’র নির্দেশেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চরম অপমান করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই এই মেট্রোর স্বপ্ন দেখেছে বাংলা। একদিন ফিতে কাটবে কাটুক। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, মমতাই ভরসা। বিজেপি যেটা করছে, সেটা ঠিক করছে না”।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতে পারবেন না বলেই সূত্রের খবর। কারণ তাঁর পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ, সোমবারই উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।





