স্বয়ং তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas) তার কাকা। বাবার নামও কম ভারী নয়। স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) ছেলে বলে কথা। টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল যোগসাজেশ। নাম সুপারিশ করলেই কাজ হয়ে যাবে। ঠিক এভাবেই উঠতি মডেলকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দেখিয়ে তোলা তোলার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। কপালের ফেরে পাতানো কাকার এফআইআর-এ গ্রেফতার করা হল ওই যুবককে। অভিযুক্তের নাম রণজিৎ বিশ্বাস ওরফে আকাশ। সোমবার রাতেই মন্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করেছে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ।
স্বরূপ বিশ্বাসের ছেলে অর্থাৎ সম্পর্কে রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ‘ভাইপো’ তিনি এই পরিচয়েই টলিউডে মহিলা মডেলদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিতেন অভিযুক্ত। তবে শুধু এখানেই থেমে থাকেনি সে এই পরিচয় দিয়েই একাধিক মহিলা ও তরুণী মডেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেছে বলেও অভিযুক্ত যুবক দাবি করেছে। প্রতারণার ফাঁদে পড়া এমনই এক উঠতি অভিনেত্রী-মডেল ওই প্রতারক যুবকের ছবি দিয়ে কিছু হোয়টসঅ্যাপ স্ক্রিনশট ফেসবুকে পোস্ট করেন। তা নজরে পড়তেই মন্ত্রী নিজে এফআইআর দায়ের করেন রিজেন্ট পার্ক থানায়।
অভিযোগ উঠেছে, হোয়াটসঅ্যাপে তিনটি মেয়ের নানা মডেলিংয়ের ছবি দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারিরীক ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত দেয়। দাবি করে, “এই তিনটি মেয়ে কাজের আগেই ব্যক্তিগতভাবে আমার ঘনিষ্ঠ হয়েছিল।” চাইলে, জেদ করলেই সে এমন অনেক ‘এনজয়’ করতে পারে বলেও অশালীন ভাষায় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে সে জানায়। তরুণী কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আকাশ ধমক দিয়ে ভয় দেখিয়ে বলে,“ক্ষমতা থাকলে টালিগঞ্জের ইন্ডাস্ট্রিতে পা দিয়ে দেখাও। এই ইন্ট্রাস্ট্রির সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস আমার বাবা।”
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতায় এসে মডেলিংয়ে কাজ শুরু করা তরুণীর সঙ্গে কিছুদিন আগে ফেসবুকে আকাশ বিশ্বাসের পরিচয় হয়। কাজ পাইয়ে দেবে বলে তাঁর কাছে ১০ হাজার টাকা চায় আকাশ। কিন্তু অপেক্ষার পরও কাজ না পেয়ে মেয়েটি টাকা ফেরৎ চায়। সেই টাকা আকাশ ফেরত দিতে অস্বীকার করলে সেখান থেকেই বিবাদের সূত্রপাত।





