সঙ্গীতশিল্পী কেকে-র অকালপ্রয়াণ ও রূপঙ্কর বাগচিকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ট্রেন্ডে ছিল মিও আমোরে-ও। কারণ? এই কনফেকশনারি ব্র্যান্ডের জিঙ্গল গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচি।
গত মঙ্গলবার কেকে-কে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করেন রূপঙ্কর। এরপর থেকেই নেটিজেনদের রোষের মুখে পড়েন। আর সেদিন রাতেই কেকে-র আকস্মিক মৃত্যুর পর রূপঙ্করকে নিয়ে বিতর্ক মাত্রা ছাড়ায়। এই নিয়ে রোষের মুখে পড়তে হয় মিও আমোরেকেও। এর জেরে গত ১লা জুন রূপঙ্করের গাওয়া জিঙ্গলটি প্রত্যাহার করে নিল এক কনফেকশনারি সংস্থা।
‘মিও আমোরে, মিও আমোরে’, রূপঙ্করের গাওয়া এই জিঙ্গলটি সকলেরই শোনা। সেই নিয়েই বিতর্কে ভরে উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়া। কেকে-র মৃত্যুর পর রূপঙ্কর বাগচিকে কটাক্ষ করা আরও শতগুণে বেড়ে যায়। অধিকাংশ নেটিজেনরাই দাবী তোলেন যে রূপঙ্করের এই বিজ্ঞাপনী জিঙ্গল প্রত্যাহার করতে হবে মিও আমোরে-কে। অবশেষে তাই-ই হল। সেই জিঙ্গল সরিয়ে দিল মিও আমোরে। তাদের তরফে এও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে কেকে সম্পর্কে রূপঙ্কর যে মন্তব্য করেছেন, তা মিও আমোরে কর্তৃপক্ষ কোনওভাবেই সমর্থন করে না।
এই প্রসঙ্গে এক সংবাদমাধ্যমকে মিও আমোরে-র মার্কেটিং বিভাগের আধিকারিক অভিষেক মুখোপাধ্যায় জানান, “গত ১ জুন থেকে আমাদের এই বিজ্ঞাপনী জিঙ্গল তুলে নেওয়া হয়েছে। এটি কেবলমাত্র রেডিয়োতেই চলত। তবে আর এটি চালানো হবে না। আগামীদিনে আমরা অন্য কোনও ভাবনা নিয়ে, অন্য কোনও জিঙ্গল নিয়ে আসব”।
এক জনৈক নেটিজেন সর্বজিৎ মৈত্র ফেসবুকে পোস্ট করে মিও আমোরে-কে ট্যাগ করে লিখেছিলেন, “দয়া করে রূপঙ্কর বাগচীর গানটি আপনাদের ব্র্যান্ড থেকে সরিয়ে নিন। নাহলে আপনাদের ব্র্যান্ডের উপরই প্রভাব পড়বে। মানুষ আপনাদের ব্র্যান্ড ছেড়ে অন্য সংস্থা বেছে নেবে”।
সেই নেটিজেনের বক্তব্যের জবাবে মিও আমোরের তরফে লেখা হয়, “গায়ক রূপঙ্কর বাগচীর মন্তব্যে আমরা দুঃখিত। মিও আমোরে কোনওভাবেই রূপঙ্করের এই মন্তব্য সমর্থন করে না। গ্রাহকদের আবেগের কথা মাথায় রেখেই আমরা ব্র্যান্ডের এই জিঙ্গল বন্ধ রাখব। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন”

মিও আমোরে-র মার্কেটিং বিভাগের আরও এক কর্মী জানান, “গ্রাহকদের আবেগের কথা মাথায় রেখেই এই জিঙ্গলটি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। আমরা রূপঙ্কর বাগচীর মন্তব্য সমর্থন করি না। আগামীদিনেও তাঁর সঙ্গে আর কাজ করা হবে না”।





