সম্প্রতি হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়োগের পরীক্ষা টেট। পাঁচ বছর পর ফের রাজ্যে হয়েছে টেট। কিন্তু এই পরীক্ষা নিয়ে উঠেছে অভিযোগ। পরীক্ষা দিতে বাধা দেওয়া হয় হাতে শাঁখা-পলা পরা এক হিন্দু গৃহবধূ। হাতে শাঁখা-পলা খুলে তাঁকে পরীক্ষা দিতে বলা হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি মৌমিতাকে, এমনটাই অভিযোগ। এবার এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।
গত ১১ ডিসেম্বর পাঁচবছর পর রাজ্যে টেট হয়। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে নেওয়া হয় পরীক্ষা। মৌমিতা চক্রবর্তী নামে এক টেট পরীক্ষার আয়োজনে বাড়াবাড়ি অভিযোগ করেছিলেন।
তাঁর অভিযোগ ছিল, তাঁকে শাঁখা-পলা খুলে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছিল তাঁকে। আর সেই কারণেই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন ওই পরীক্ষার্থী মৌমিতা চক্রবর্তী। চলতি সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলা।
এই মামলায় অভিযোগ, টেট পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে হিন্দু গৃহবধূদের হাতের শাঁখা-পলা খুলতে হয়েছে। যারা খোলেন নি, তারা ঢুকতে পারেন নি। পরীক্ষা দেওয়া হয়নি তাদের।
এই মামলায় মামলাকারীর তরফে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কাউন্সিলর সাধারণ সম্পাদিকা পারমিতা দে দাবী করেন কমিশনের এমন সিদ্ধান্তের ফলে মৌমিতা পরীক্ষা দিতে পারেন নি। তাঁর যে ক্ষতিটা হল, তার ক্ষতিপূরণ কীভাবে সম্ভব? এই নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান গৌতম পালের বিরুদ্ধে মামলাকারী বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।





