গতকাল, বুধবার দুপুরের পর থেকেই অশান্ত শহর কলকাতা। এদিন এক টেট আন্দোলনকারী অরুণিমা পালের হাতে কামড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। পুলিশকর্মীর কামড়ে দেওয়ার ভিডিও-ও ভাইরাল এখন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু সেই পুলিশকর্মী এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর পাল্টা ওই চাকরিপ্রার্থী অরুণিমা পালের বিরুদ্ধেই এবার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হল।
গতকাল, বুধবার চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের জেরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় কলকাতা। এদিন দুপুরের পর চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলন করেন রবীন্দ্র সদনের এক্সাইড মোড়ে। সেখানে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের গাড়ির চাকার নিচে মাথা পেতে শুয়ে পড়েন অনেক আন্দোলনকারী। তাদের টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ।
আবার এর কিছুক্ষণ বাদেই ক্যামাক স্ট্রীটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান চাকরিপ্রার্থীরা। সেখানে আন্দোলনরত এক চাকরিপ্রার্থীর হাতে কামড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। চাকরিপ্রার্থীর নাম অরুণিমা। যদিও ওই পুলিশকর্মী কামড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এদিকে, অরুণিমাকে চিকিৎসার জন্য না নিয়ে গিয়ে তাঁকে হেয়ার স্ট্রিট থানায় আটক করে রাখা হয়। সেই সময় অসুস্থ বোধ করেন তিনি। তাঁর চিকিৎসার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেন সহযোদ্ধারা।
অভিযোগ, প্রাথমিক পর্যায়ে অরুণিমার চিকিৎসা করাতে রাজি হয় না পুলিশ। অভিযোগ আরও বড়। চাকরিপ্রার্থীদের দাবী, “একজন অফিসার বলেন ওঁ যদি মারা যায় সেই দায় আমরা নেব…”। পরে অবশ্য ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হয় আক্রান্ত অরুণিমার।
গতকাল রাতেই অরুণিমাকে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর সঙ্গে আরও ৩০ জনকে গ্রেফতার করে আনা হয় ক্যামাক স্ট্রীট থানায়। পুলিশের উপর হামলা, হিংসা ছড়ানো-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।





