ভুয়ো পরিচয় দিয়ে সিবিআইয়ের আধিকারিক সেজে ব্যবসায়ীর থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলার অভিযোগ ‘রিপাবলিক বাংলা’র সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। সাংবাদিকের নাম অভিষেক সেনগুপ্ত।
এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ‘রিপাবলিক বাংলা’র তরফে টুইট করে জানানো হয় যে চ্যানেলের পক্ষ থেকে ওই সাংবাদিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এও জানানো হয়েছে যে ওই সাংবাদিক তাদের চ্যানেলে স্থায়ী কর্মী ছিলেন না।
ঠিক কী হয়েছিল?
জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার, অভিযুক্ত সাংবাদিক অভিষেক সেনগুপ্তের দুই সহকারী স্বরূপ রায় ও প্রতীক সরকার হানা দেন অজিত রায় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে। সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে, এই বলে তাঁকে জোর পূর্বক নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ সিবিআই দফতরের নীচে বসিয়ে রাখা হয় ওই ব্যবসায়ীকে।
এরপর, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক সেজে অজিত রায়ের সঙ্গে দেখা করেন অভিযুক্ত সাংবাদিক অভিষেক সেনগুপ্ত। ঝামেলা মীমাংসা করার জন্য ১ কোটি টাকা দাবী করেন বলেও অভিযোগ। কিন্তু প্রথমে রাজী না হলেও শেষ পর্যন্ত ১৫ লক্ষ টাকা দিতে রাজী হন অজিত রায়। কিন্তু টাকা দেওয়ার পর সন্দেহ হয় অজিতবাবুর। এরপরই কসবা থানায় গোটা ঘটনাটি জানান তিনি।
আরও পড়ুন- ভিডিও বিতর্ক! উরুগুয়ের টর্নেডোর পুরনো ভিডিওকেই ঘূর্ণিঝড় যশের ভিডিও বলে দাবী করল এবিপি আনন্দ
এমন অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথমেই গ্রেফতার করা হয় প্রতীক ও স্বরূপকে। তাদের থেকেই অভিষেক সেনগুপ্তের কথা জানতে পারে পুলিশ। এরপর অভিযুক্ত ওই সাংবাদিককে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ‘রিপাবলিক টিভি’র তরফে টুইট করে জানানো হয় যে অভিষেক সেনগুপ্ত তাদের স্থায়ী কর্মী ছিলেন না। এও জানানো হয় যে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কতদিন ধরে এই চক্র চলছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।





