“আমি অভিনেত্রী, রাজনৈতিক মানুষ নই!” রাজ্যসভায় কোয়েল মল্লিকের যোগদান ইস্যুতে, স্পষ্ট বার্তা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর! শিল্পীর পরিচয়ই সবচেয়ে বড়, বললেন অভিনেত্রী!

রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে টলিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick) রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই বিষয়টি ঘিরে রাজনীতি এবং বিনোদন জগত দুই ক্ষেত্রেই জোর চর্চা চলছে। অভিনেত্রী রাজনীতিতে আসতে পারেন কি না, সেই প্রশ্নে নানা মতামতও সামনে আসছে। এই প্রসঙ্গেই নিজের মত প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)

তিনি খুব স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে তিনি নিজেকে কোনওভাবেই রাজনৈতিক মানুষ হিসেবে দেখেন না এবং রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে জড়াতেও চান না। ঋতুপর্ণা জানান, তিনি রাজনীতির খবর বা বিশ্লেষণ খুব গভীরভাবে অনুসরণ করেন না। তাঁর কাছে শিল্প ও সংস্কৃতির জগতই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। অভিনেত্রীর কথায়, একজন শিল্পী হিসেবে তাঁর মনোযোগ সবসময় থাকে অভিনয়, নাচ এবং সৃজনশীল কাজের দিকে। তিনি বিশ্বাস করেন যে একজন শিল্পীর মূল দায়িত্ব হল দর্শকদের ভালো কাজ উপহার দেওয়া।

তাই রাজনীতি নিয়ে ভাবনার চেয়ে নিজের কাজকে আরও ভালোভাবে করার দিকেই তিনি বেশি মনোযোগ দিতে চান। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে একজন নাগরিক হিসেবে সমাজ ও দেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা রয়েছে। ঋতুপর্ণার মতে, সমাজের প্রতি সচেতন থাকা প্রত্যেক মানুষেরই কর্তব্য। তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব রাজনৈতিক মতামত থাকতে পারে এবং সেটি একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সেই মতামত থাকলেই কাউকে রাজনৈতিক মানুষ বলা যায় না।

তিনি নিজের পরিচয়কে একজন শিল্পী হিসেবেই দেখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। অভিনেত্রীর কথায়, মানুষের পাশে দাঁড়ানো বা সমাজের জন্য কিছু করা কখনও রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি মনে করেন মানবিকতা এবং সহমর্মিতা অনেক বড় বিষয়। যদি তিনি নিজের কাজ বা উদ্যোগের মাধ্যমে কারও উপকার করতে পারেন তবে সেটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। তিনি সবসময় চেষ্টা করেন মানুষের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার।

আরও পড়ুনঃ জীবনে কোথায় যেন রয়ে গেছে ফাঁক! বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১২০ দিনের হিসেব কষে মন খারাপ অক্ষয় কুমারের! সফল কেরিয়ার, সুখী পরিবার থাকা সত্ত্বেও কেন আক্ষেপে ভোগেন অভিনেতা?

ঋতুপর্ণা আরও বলেন, তাঁর কাছে মানুষের ভালোবাসা এবং সম্মানই সবথেকে বড় প্রাপ্তি। একজন শিল্পী হিসেবে দর্শকদের সঙ্গে যে সম্পর্ক তৈরি হয় সেটাই তাঁকে এগিয়ে চলার শক্তি দেয়। তাই রাজনীতি নয় বরং অভিনয় এবং সংস্কৃতির জগতে নিজের কাজের মাধ্যমেই মানুষের কাছে পৌঁছতে চান তিনি। তাঁর মতে, একজন সচেতন মানুষ হিসেবে সমাজের পাশে থাকা এবং নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকা এই দুটিই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles