সামনেই বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব, দুর্গাপুজো। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা, এরপরই সকলের মন ভালো করতে মর্ত্যে প্রকট হবে মা দুর্গা। সমস্ত দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রণা ভুলে চারটে দিন রাজ্যবাসী মাতবে মাতৃ আরাধনায়।
রাজ্য তথা দেশ তো বটেই, দেশের বাইরেও নানান জায়গায় পূজিত হন মা দুর্গা। প্রত্যেক বছর কুমোরটুলি থেকে নানান দেবী দুর্গার মূর্তি পাড়ি দেয় সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করে সুদূর বিদেশে। তবে গত বছর থেকে করোনা ভ্রূকুটির কারণে দুর্গাপুজোর জৌলুস খানিকটা ফিকে হলেও বাঙালির মধ্যে দুর্গাপুজো নিয়ে উন্মাদনা কিন্তু এক ছিটেফোঁটাও কমেনি।
এই বছরও মানুষের মনে ত্রাস তৈরি করেছে করোনা। দ্বিতীয় ঢেউ শেষ হওয়ার আগেই দরজায় কড়া দিচ্ছে করোনার তৃতীয় ধেউ।নেই কারণে এই বছরও দুর্গাপুজো হবে কিন্তু আড়ম্বর থাকবে কম। কারণ রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনার কারণে লকডাউন জারি রয়েছে।
রাজ্যে প্রত্যেক বছরই দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে নানান মণ্ডপে দেখা যায় নানান ধরণের ঐতিহ্য ও থিমের ছোঁয়া। তাক লাগানো থিম বানিয়ে রাজ্যবাসীকে অনাবিল আনন্দ দেয় নানান ক্লাব কর্তৃপক্ষ। গত বছরই যেমন বেহালার বড়িশা ক্লাব পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে সেই থিম আনে তাদের মণ্ডপে যা প্রভূত প্রশংসা অর্জন করেছিল।
এই বছরও এরকমই কিছু অন্য ধরণের থিমের কথা ভেবেছে কলকাতার বাগুইহাটির নজরুল পার্ক উন্নয়ন সমিতি। সেখানে এ বছর মা দুর্গার মুখ বানানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের আদলে। প্রতিমার দশ হাতে থাকবে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর চালু করা নানান প্রকল্পগুলি। মমতা সরকারের নানান কাজের নিদর্শনও ফুটিয়ে তোলা হবে মণ্ডপসজ্জাতে, এমনটাই জানা গিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে। এমন একটি থিমের মণ্ডপ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত রাজ্যবাসী।





