গলওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের ইস্যুতে মোদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল। এবার সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে পাল্টা রাহুল গাঁধীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন বিজেপি সভাপতি। রাহুলের বিরুদ্ধে দেশে বিভাজন ঘটানো এবং সেনাবাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অভিযোগ তুললেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি ট্যুইটবার্তায় জানান, কংগ্রেস সাংসদ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিচ্ছেন।
গত ১৫ই জুন চীন ও ভারতের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে এক কর্নেল সহ ২০ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়। যার জেরে কংগ্রেস দল কেন্দ্রের শাসক দলের ওপর চড়াও হয়। আজ চলতি বাকযুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ করল বিজেপি সভাপতির ট্যুইট। এদিন টুইটে নাড্ডা ২০০৮ সালে চীনের তৎকালীন ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সাথে কংগ্রেসের একটি স্বাক্ষরিত চুক্তিকে টেনে প্রশ্ন করেন, এটা কি কংগ্রেসের বোঝাপড়ার (মউ) ফলাফল!
https://twitter.com/JPNadda/status/1275267125557342209?s=20
২০০৮ এ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে পারস্পরিক মতামত আদানপ্রদানের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় কংগ্রেস ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি)। তাতে সাক্ষর করেছিলেন রাহুল ও চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে তখন রাহুল ছিলেন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক এবং শি ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির সিনিয়র নেতা।
আজ সেই প্রসঙ্গ টেনে নাড্ডা বলেন, প্রথমে কংগ্রেস চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে মউ চুক্তিতে আবদ্ধ হল। তারপর সেই অনুযায়ী চীনকে জমিও ছেড়ে দিল। ডোকলাম সমস্যার সময় তো রাহুল গাঁধী লুকিয়ে চীনা দূতাবাসে গেছিলেন। সব গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে রাহুল গাঁধী দেশ ভাগের চেষ্টা করেন এবং সেনার মনোবলে আঘাত করেন।
গতকাল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দেশের স্বার্থে নিজের বক্তব্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত। মিথ্যা তথ্য প্রদান করা একজন দেশনেতার কাজ হতে পারে না।
রাহুলও পাল্টা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চীনকে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ আনেন। পাশাপাশি এবার মোদী সরকার ভারতের মঙ্গলের জন্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শও গ্রহণ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। মঙ্গলবারও প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি ট্যুইট করে বলেন, চীনের হামলার বিরুদ্ধে আমরা সকলে একসাথে আছি। কিন্তু চীন কি ভারতের জমি দখল করে রেখেছে?





