গত ১৫ই জুন ভারত ও চীনের সংঘর্ষে ভারতীয় সেনার হাতেই মারা যান চীনের এক সেনা অফিসার। সোমবার ভারত ও চীনের অফিসারদের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। সূত্রের খবর সেই বৈঠকে চীন একথা স্বীকার করেছে।
গত সপ্তাহে গালওয়ান উপত্যকায় যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে, তাতেই শহীদ হন ভারতের এক সেনা অফিসার সহ ২০ জন জওয়ান। অন্যদিকে চীনের অন্তত ৪৩ জন সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছিল। আর আজ চীনা অফিসারের মৃত্যুর কথা স্বীকার করল চীন সেনা।
সোমবার দু’পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক আয়োজিত হয়। আর সেখানে ভারতের তরফে উপস্থিত ছিলেন লেহ’র কর্পস কম্যান্ডার হরিন্দর সিং এবং মেজর জেনারেল লিন লিন। সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ মলডোতে এই আলোচনা শুরু হয়।
অপরদিকে চীনের তরফে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার চুশুলেতে এই আলোচনা হয়। এই নিয়ে অফিসারদের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমটি হয়েছিল জুনের ৬ তারিখ।
সেনা সূত্র থেকে জানা গেছে, “বৈঠকে ভারত-চীন সীমান্তে সংঘাতের বিষয়ে সমস্ত আলোচনা হবে। এছাড়াও গালওয়ান এবং ফিংগার অঞ্চলের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে”। চলতি মাসের ৬ তারিখ বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, পূর্ব লাদাখের সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার পরই ১৫ই জুন চীনের তরফে অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, সেই বৈঠকে দুই দেশের লেফটেন্যান্ট জেনারেলরা অংশগ্রহণ করেন। চীন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার মলডোর বর্ডারে বৈঠকটি আয়োজিত হয়। জানা গিয়েছে সেই বৈঠকে ভারতের তরফ থেকে সমস্যা তৈরি আগের অবস্থানে চীনা সৈন্যদের ফিরে যেতে বলা হয় এবং চীনের তরফ থেকে ভারতকে রাস্তা নির্মাণ বন্ধ করতে বলা হয়।





