চীন কার্যত হুঙ্কার শানাল ভারতকে। চীন সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে ভারত যেভাবে চীনা সংস্থাগুলির উপর বারবার আক্রমণ করে চলেছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। চীনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের তরফে এমনটাই জানা গিয়েছে।
গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, চীন সরকার জানিয়েছে যে ভারত বারবার চীনা ও অন্যান্য বৈদেশিক সংস্থাকে হেনস্থা করছে। নানান বৈদেশিক সংস্থাকে চেপে রাখা হচ্ছে যা একেবারেই সঠিক নয়। এমন কাজ ভারতের পক্ষে ভালো হবে না বলেও জানানো হয় চীনের তরফে।
সম্প্রতি শাওমির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইডি-র তরফে শাওমি ইন্ডিয়ার শীর্ষ কর্তাদের ডেকে পাঠানো হয়। তবে শাওমির অভিযোগ, সেখানে নাকি তাদের সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। এহেন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই চীনের তরফে হুংকার শানানো হয়।
গত শনিবার আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-এর তরফে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলা হয় যে আদালতে শাওমির তরফে জানানো হয়েছে তাদের সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন, সেই সময় তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। যদিও এমন অভিযোগ নাকোচ করা হয়েছে ইডি-র তরফে। তারা জানিয়েছে যে শাওমির তরফে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা অসত্য এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এসবের মধ্যেই চীনের তরফে বিনিয়োগ নিয়েও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। গ্লোবাল টাইমস জানায়, “চীনা বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কর্তব্য এবং দায়িত্ব ভারতের”। বলে রাখি, ২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে চীনা আগ্রাসনের পর থেকেই ভারত থেকে এক এক করে অসংখ্য চীনা অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ভারতে শাওমির ১৫০০ কর্মী রয়েছে। ভারতের বাজারে প্রায় ২৪ শতাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী শাওমির গ্রাহক রয়েছে। সংস্থার তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে চীনে তৈরি ফোন তারা ভারতের বাজারে বিক্রি করে না। ভারতের বাজারে তৈরি ফোনই এখানে বিক্রি করা হয়।





