ভারত যেটা পেরেছে, পাকিস্তান তা পারেনি, জ্বালানির দাম কমানোর পরই মোদীর ভূয়সী প্রশংসায় ইমরান খান

ফের একবার পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) মুখে শোনা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) প্রশংসা। মার্কিন চাপের সামনে মাথানত না করে স্বাধীন বিদেশনীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করেন ইমরান। মার্কিন (USA) চাপ উপেক্ষা করেই রাশিয়ার (Russia) থেকে বিশেষ ছাড়ে অপরিশোধিত তেল কেনে ভারত (India)।

এরপর গতকাল, শনিবার রাতে কেন্দ্র সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয় যে পেট্রোল ও ডিজেলের উপর থেকে শুল্ক কমাচ্ছে কেন্দ্র সরকার। এর জেরে প্রতি লিটার পেট্রোলে দাম কমেছে সাড়ে ৯ টাকা। এরপর প্রশংসা এল প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে। মোদীর প্রশংসা তো বটেই, এর পাশাপাশি বেশ আফসোস করে ইমরান বলেন, “আমার দেশকেও একই পথে চালাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হল আর কই”।

সাধারণ মানুষের উপর থেকে চাপ লাঘব করতে পেট্রোল-ডিজেলের উপর শুল্ক কমিয়েছে মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে সমালোচনাও হয়েছে বিরোধীদের তরফে। তবে এই ঘটনায় প্রতিবেশী দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান কিন্তু বেশ উচ্ছ্বসিত। নয়াদিল্লির শুল্ক হ্রাসের সিদ্ধান্তের পরই টুইট করেন ইমরান খান।

টুইটে ইমরান লেখেন, “কোয়াডের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন চাপ থাকার পরেও রাশিয়া থেকে বিশেষ ছাড়ে কম দামে তেল কিনল ভারত। দেশবাসীকে স্বস্তি দিতেই তাদের এই পদক্ষেপ”। এর পাশাপাশি বেশ আক্ষেপের সুরেই তিনি বলেন, “আমাদের সরকারও এটাই করতে চেয়েছিল। স্বাধীন বিদেশনীতি তৈরি করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য”।

শুধু তাই-ই নয়, পাকিস্তানের বর্তমান সরকার ও নিজের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের জোটসঙ্গীদের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানান ইমরান। ‘মিরজাফর’ ও মীর সাদিকের’ সঙ্গে জোটসঙ্গীদের তুলনা করে ইমরানের টুইট, “আমাদের কাছে আম পাকিস্তানবাসীর স্বার্থই ছিল প্রধান। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত স্থানীয় মীরজাফর এবং মীর সাদিকরা বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করে ফেলল। আর এখন মস্তকহীন মোরগের মত এদিক ওদিক করে চলেছে। এভাবেই দেশের অর্থনীতিকে খাদের ধারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে”।

এর আগেও মোদী সরকারের বিদেশনীতি নিয়ে প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এবারও ফের একবার ভারতের প্রশংসা করে পাকিস্তানের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন ইমরান যা বিশ্বের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অন্তত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও অন্যান্য খবর