সোমবার ভোররাতে ঘটে গেছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। ভারতীয় সেনার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ২০ জন সেনাকে হত্যা করে চীন। ভারতের পাল্টা জবাবেও প্রাণ হারায় চীনেরও কমপক্ষে ৩৫ জনের। তবে নতুন করে কোনও সংঘর্ষের খবর না-মিললেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া এলাকায় সন্দেহজনক সক্রিয়তা বাড়ায় চীন। স্যাটেলাইট ছবিতে এই তথ্য প্রকাশ পেতেই ভারতও তৎপর হয়ে ওঠে। শ্রীনগর ও লেহ অঞ্চলে বায়ুসেনা ঘাঁটি পরিদর্শন করেন বায়ুসেনা প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া।
আর এর ফলে ক্রমেই তীব্র হচ্ছে চীন-ভারত উত্তেজনার পারদ। লাদাখ সীমান্তে প্রবল হচ্ছে যুদ্ধ সম্ভাবনা। এদিকে এরই মধ্যে লাদাখ সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেল ভারতীয় সেনা বাহিনীর অন্যতম বিধ্বংসী হেলিকপ্টার চিনুক। পাশাপাশি ইন্দো-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় এবার যুদ্ধবিমানও নিযুক্ত করল ভারত।
জানা গিয়েছে লাদাখের আকাশসীমায় বিশেষ নজরদারির দায়িত্বে রয়েছে পিএইটআই বিমান। আকাশ থেকে সমুদ্রের নীচে ডুবোজাহাজ খুঁজতে সক্ষম এই বিমান ডোকলাম বিবাদের সময়ও নজরদারি চালিয়েছিল। পিএইটআই বিমানে ভূমি ও জল থেকে ছোড়া অস্ত্রকে ঠেকানোর প্রযুক্তি রয়েছে। মার্কিন নৌসেনা এই বিমান ব্যবহার করে।
গালওয়ানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ক্রমেই সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে চীনও। নির্মাণকাজের জন্য কাঁচামাল মজুত করা হচ্ছে, সেই ছবিও দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি প্যাংগং সো-তেও চীনা সেনার বাড়বাড়ন্ত লক্ষ্য করা গিয়েছে। এদিকে যেকোনও মূল্যে প্যাংগং সো নিজেদের কাছে রাখতে মরিয়া ভারতও উচিত জবাব দিতে সেখানে সেনা পাঠিয়েছে।





