মোদীকে দিয়ে জোর করে কোনও কাজ করানো যায় না, ওঁকে ভয় দেখানো যায় না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর মতে, ভারত ও ভারতীয়দের বিরুদ্ধে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মোদীকে জোর করা যায় না।
ঠিক কী বললেন পুতিন?
গতকাল, বৃহস্পতিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রুশ রাষ্ট্রপ্রধান ভ্লাদিমির পুতিন। সেখানেই তিনি বলেন, “আমি ভাবতেই পারি না মোদীকে ভয় দেখানো হচ্ছে বা কোনও কাজ করতে জোর করা হচ্ছে। ভারত বা ভারতীয়দের স্বার্থের বিরোধী কোনও সিদ্ধান্ত নিতে জোর করা যায় না মোদীকে। মাঝে মাঝে তো অবাক হয়ে যাই, ভারতের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য এতখানি দৃঢ় অবস্থান কী করে বজায় রাখেন মোদী”।
🇷🇺 राष्ट्रपति व्लादिमीर पुतिन ने की 🇮🇳 प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी की तारीफ, कहा- उनकी नीति भारत और रूस के प्रगाढ़ संबंधों की गारंटी
राष्ट्रपति पुतिन ने कहा- ''रूस और भारत के संबंध लगातार सभी दिशाओं में विकसित हो रहे हैं और इसकी मुख्य गारंटी प्रधानमंत्री मोदी की नीति है। मैं… pic.twitter.com/b7lwMuMWZD
— RT Hindi (@RT_hindi_) December 7, 2023
পুতিন এও জানান যে তাঁর মতে, ভারতের স্বার্থ রক্ষা নয়, ইন্দো-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও মোদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পুতিনের কথায়, “সবদিক থেকেই দারুণ উন্নতি করছে ভারত ও রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। আর এই সাফল্যের মূল গ্যারান্টর হলেন মোদী। তাঁর নীতির ফলেই এই অগ্রগতি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যে কয়েকজন সমমনস্ক নেতার নাম আমি সবসময়ে উল্লেখ করি তার মধ্যে অন্যতম হলেন মোদী”।
প্রসঙ্গত, রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমী দেশগুলি রাশিয়ার উপর নানান বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য ভারতের উপরও চাপ দেওয়া হয়। তবে এই পরিস্থিতিতে ভারত নিজেদের স্বার্থ দেখেছে। যুদ্ধের বাজারে রাশিয়ার থেকে সস্তায় জ্বালানি কিনেছে ভারত। এই নিয়ে পশ্চিম দেশগুলি একযোগে ভারতের সমালোচনা করলেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিল মোদী প্রশাসন।
মোদী সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হয়েছে, ভারতীয় জনগণের স্বার্থেই রাশিয়ার থেকে সস্তায় তেল কেনা হচ্ছে। জ্বালানি জন্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকে অন্য দেশের উপর নির্ভর করতে হয়। তাই, যেখান থেকে সস্তায় তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই তেল কিনবে ভারত সরকার। এর জেরে ভারত ও রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বেড়েছে।





