রাষ্ট্রপুঞ্জে কাশ্মীর ইস্যুতে ‘মিথ্যাচার’ পাক প্রধানমন্ত্রীর, ‘সন্ত্রাসবাদীদের পেনশন’ দেয় ইমরানের দেশ! পাল্টা ভারত

ফের কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাষ্ট্রপুঞ্জ (United nation)। ৭৫তম সাধারণ সভায় কাশ্মীর ইস্যুতে (Kashmir issue) ভারতের নামে এক নাগাড়ে মিথ্যা কথা বলে গেলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (imran Khan)। পাল্টা জবাব দিতে ছাড়লোনা ভারত‌‌ও।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আক্রমনাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করলেন‌ ভারতীয় প্রতিনিধি মিজিতো বিনিতো (Mijito Binito)। বিশ্বের সামনেে তুল ধরেন সন্ত্রাসপ্রেমী পাকিস্তানের আসল চিত্রটা। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সভার শুরু থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু করেছিলেন ‌এদিন রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর রেকর্ড করা বক্তব্য পেশ করা হয় পাকিস্তানের তরফে।

কিন্তু রাষ্ট্রপুঞ্জের সামনে নিজের বক্তব্যে আগাগোড়া কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের নামে ‘মিথ্যাচার’ করে যান পাক প্রধানমন্ত্রী। ইমরান দাবি করেন, “পাকিস্তান চিরদিন শান্তিপূর্ণভাবে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান চায়। কিন্তু তাঁর আগে ভারতকে কাশ্মীরে সেনার অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। ভারতের সেনাবাহিনী কাশ্মীরের মানবাধিকার পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছে।”

একইসঙ্গে এই ঘটনায় রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপ দাবি করেন ইমরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এহেন মিথ্যা বক্তব্য পেশ করা দেখে ৭৫ তম সাধারণ সভার সভাস্থল ত্যাগ করেন ভারতের প্রতিনিধি মিজিতো বিনিতো। পরে রাইট টু রিপ্লাই (right to reply) বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেন তিনি।

বিনিতো সাফ জানিয়ে দেন, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ আর তা নিয়ে আলোচনার কোনও অবকাশ নেই। আলোচনা করতেই হলে, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ (terrorism) নিয়ে হোক। কারণ, পাকিস্তানের মাটিতে যেভাবে সন্ত্রাসবাদীদের লালন-পালন করা হচ্ছে, সেটা গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক।

রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় ভারত প্রতিনিধি নিজের বক্তব্যে জানান,”কাশ্মীরে এখন একটাই সমস্যা, একটাই বিবাদ। সেটা হল, এর কিছুটা অংশ এখনও পাকিস্তান বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে। আমরা পাকিস্তানকে বলব ওই এলাকা দখলমুক্ত করতে।” এরপরই ধীরে ধীরে পাকিস্তানের স্বরূপ প্রকাশ্যে আনেন বিনিতো। তিনি বলেন, “এই পাকিস্তান এমন একটা দেশ যারা সন্ত্রাসবাদীদের পেনশন দেয়। এই ইমরান খান এমন এক ব্যক্তি যিনি কিনা ওসামা বিন লাদেনকে ‘শহিদ’ তকমা দেন। এই পাকিস্তান এমন দেশ যেখানে একেবারে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু, শিখ, খ্রিষ্টানদের গণহত্যা করা হয়। গত ৭০ বছরের ইতিহাসে পাকিস্তানের সবচেয়ে উজ্বল অধ্যায়ই হল সন্ত্রাসবাদ, ধর্ম আর জাতির নামে গণহত্যা এবং ধর্মীয় মৌলবাদ।”

RELATED Articles

Leave a Comment