ভারতের সঙ্গে সেনা সংঘাতের পর থেকেই ক্রমশ বিশ্বে একঘরে হচ্ছে চীন। আমেরিকা থেকে ইংল্যান্ড সমর্থন ভারতের দিকেই। তবে ভারতের সঙ্গে দ্বন্দ সাম্প্রতিক ঘটনা হলেও ওয়াশিংটনের সঙ্গে অবশ্য তারও আগে থেকে বেজিং-এর দ্বন্দ্ব চলছে। এর মূল কারণ হলো বাণিজ্য প্রতিযোগিতা।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে শীর্ষ স্থান পাওয়ার এই লক্ষ্যে এগোচ্ছে যুযুধান এই দুই দেশ। চীনের বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারির হুমকি, মার্কিন মুলুকে চীনা বিমান অবতরণে নিষেধাজ্ঞার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু, এবার তাঁরা হাঁটতে চলেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে।
US Secretary of State Mike Pompeo says that the United States is "certainly looking at" banning Chinese social media apps, including #TikTok: Reuters
(file pic) pic.twitter.com/fUzJKlQkSk— ANI (@ANI) July 7, 2020
সোমবার রাতে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও জানিয়েছেন, ভারতের পর আমেরিকাও জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ টিকটক-সহ বেশ কয়েকটি চীনা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী জানান, বিষয়টি এখনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে তোলা হচ্ছে না, তবে এই বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবশ্যই ভাবনা চিন্তা রয়েছে। বিষয়টি তারা বিবেচনা করে দেখছে।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই চীনা সামরিক আগ্রাসনের জবাব হিসেবে ভারতে চালু থাকা ৫৯টি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিষিদ্ধ করে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। এর আগে বৃহত্তম চিনা প্রযুক্তি সংস্থা হুয়ায়েই-এর বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন পম্পেও। জানিয়েছিলেন, হুয়ায়েই একটি অস্বচ্ছ সংস্থা। তারা পুরোপুরি চীনা কমিউনিস্ট সরকারে অঙ্গুলি হেলনে চলে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জন্য বিভিন্ন তথ্য পাচার করে তারা।
কিন্তু এই চীনা অ্যাপগুলি চীনের অর্থনৈতিক উন্নতির একটা বড় অংশ, তা বলাই বাহুল্য। একের পর এক দেশে এই অ্যাপগুলি বাতিল হতে থাকলে তাদের অর্থনীতির জাহাজ যে ফুঁটো হয়ে ডুবতে শুরু করবে, তা বলাই বাহুল্য।





