থমেথমে রূপ নিয়েছে জম্মু এবং কাশ্মীর। রাজ্যের শ্রীনগর এবং জম্মুতে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত মোবাইল, ইন্টারনেট এমনকি কেবল টিভি পরিষেবাও। তবে কেনো এই সতকর্তা? কিসের প্রহর গুনছে গোটা উপত্যকা?
তড়িঘড়ি উপত্যকা থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে অমরনাথ যাত্রীদের। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণে সেনা৷ তবে কি এই সমস্ত সতর্কতা পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কোনো যুদ্ধের ইঙ্গিত? নাকী কাশ্মীরের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে অন্যকিছু।
বিগত কয়েকদিন ধরেই ভারত – পাকিস্তানের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। কিছু পাক সেনারা ভারতে ঢুকতেও চেষ্টা করেব তবে ভারতীত হওয়ানদের গুলিতে তারা নিহত হন৷ অমরনাথ যাত্রাপথে পাওয়া যায় পাক সেনার ব্যবহারকারী রাইফের এবং আইডি বিস্ফোরণ৷ যারা ফলে বড়সড় কোনো নাশকতার ধারণা করে সেখান থেকে সরিয়ে আনা হয় যাত্রীদের। এমনকি গতকাল রাতে কাশ্মীর ছাড়েন ইরফান পাঠান সহ আরও ১০০ জন ক্রিকেটারও। আর এসবের কারণ কি তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
শুধু তাই নয়, কাশ্মীরের বেশ কিছু নেতাকে ইতিমধ্যেই করা হয়েছে গৃহবন্দী। গৃহবন্দী করা হয়েছে জম্মু কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাকে। গৃহবন্দী রয়েছেন আরও এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা সাজ্জাদ লোন৷ সোমবার সকাল থেকে ১৪৪ ধারা জারি করায় কার্যত এখন কাশ্মীরে বন্ধের চেহারা। নিষিদ্ধ করা হয়েছে মিটিং, মিছিল কিংবা কোনো জমায়েত। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, স্কুল, কলেজগুলিও৷ কাশ্মীরের এমন থমথমে চেহারা নেওয়ার কারণ কী এখন তা নিয়েই নানান মহল থেকে উঠছে প্রশ্ন৷





