
ঘন্টায় পুড়ছে বারোটা দেহ। অসহায়ের মতো আত্মসমর্পণ করেছে দিল্লি। কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে রাজধানী। এই অক্সিজেন, ওষুধ, প্রতিষেধক । শুধু আছে স্বজনহারাদের হাহাকার। দেশে সবথেকে কঠিন অবস্থা মহারাষ্ট্র ও দিল্লির। সংক্রমণের ঊর্ধ্ব গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া মেডিক্যাল আক্সিজেনের সংকট।

গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যু মিছিল চলছে রাজধানীতে। প্রতি ঘণ্টায় মৃত্যু হচ্ছে ১২ জনের, যেখানে গত ৫ সপ্তাহ ধরে সংখ্যাটা ছিল ৫। কিছুতেই নিভছেনা চিতার আগুন। খোলা জায়গাতেই পুড়ছে দেহ। গত সোম থেকে শনিবারের মধ্যে দিল্লিতে ১,৭৭৭ করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। দিল্লি প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, ঘন্টায় ১২ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেছে। এই ব্যাপক হারে মৃত্যু ও গণচিতা জ্বলার ফলে রাজধানীর তাপমাত্রা বেড়েছে ব্যাপকহারে।

চলতি সপ্তাহের সোমবার ২৪০ আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছিল। মঙ্গলবার ২৭৭, বুধবার ২৪৯,
বৃহস্পতিবার ৩০৪, শুক্রবার ৩৪৮ জনের অধিক করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়। হিসেব করলে দানড়ায় ১৫ করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে দিনে। শনিবার সেই সংখ্যা পৌঁছয় ৩৫৭-য়।

প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫১ হাজার। ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৫১। বৃহস্পতিবার সব রেকর্ড ভেঙে রাজধানীতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৮,৩৯৫ জন। তার ফলে এক ধাক্কায় ঘন্টা প্রতি আক্তান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,১৮৩।





