ধার নেওয়া টাকা সঠিক সময়ে শোধ করতে পারেন নি, এটাই ছিল এক বাবার অপরাধ। সেই কারণে তাঁর ষষ্ঠ শ্রেণীর নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে করলেন ৪০ বছরের এক ব্যক্তি। তিনমাস ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে থাকতেও হয় ওই নাবালিকাকে, এমনটাও জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের সিওয়ান জেলার একটি গ্রামে।
বিহারের সিওয়ান জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা নাবালিকার পরিবার। সূত্রের খবর, মহেন্দ্র পান্ডে নামে এক ব্যক্তির থেকে ওই নাবালিকার বাবা ২ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু সঠিক সময়ে তিনি সেই টাকা পরিশোধ করতে পারেন নি।
ফলে এই ধার নেওয়া টাকা না দেওয়ার অপরাধে নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে আটকে রাখার কথা বলে অভিযুক্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, নাবালিকাকে বাড়িতে আটকে রাখার কিছুদিনের মধ্যেই তাকে বিয়ে করে অভিযুক্ত।
ওই নাবালিকাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে তিনমাস নিজের বাড়িতে আটকে রাখে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। বিয়ের ঘটনার কথা জানার পরই মারিওয়ারা থানায় অভিযোগ করেন নাবালিকার মা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চাইল্ড ম্যারেজ আইনের পাশাপাশি পকসো আইনেও মামলা রুজু করা হয়েছে। জেরার মুখে পড়ে অভিযুক্ত নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একদিকে যখন সরকারের তরফে ‘বেটি পড়াও, বেটি বাঁচাও’ স্লোগান তোলা হচ্ছে। মেয়েদের স্বার্থে নানান প্রকল্প আনা হচ্ছে, সেই সময় দেশেরই এক প্রান্তে প্রতিনিয়ত এমন সব ঘটনার স্বীকার হতে হচ্ছে মেয়েদের।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!