যথেষ্ট দেরি হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ১৫০ শিক্ষাবিদের চিঠি মোদীকে।

করোনা আবহের অজুহাতে সর্বভারতীয় ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা ‘নিট’ (NEET) এবং ‘জেইই’ (মেন) (JEE) আরও পিছোলে এবার বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়বে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ। এমন‌ই উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে(Narendra Modi) চিঠি দিলেন দেশ ও বিদেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড়শোরও বেশি শিক্ষাবিদ।

নিট(NEET) এবং জেইই(JEE) এই দুটি অত্যাবশ্যক পরীক্ষা করোনা সঙ্কটে হওয়া উচিত নাকি নয়? এই নিয়ে বিভক্ত গোটা দেশে। কেউ পরীক্ষা হওয়ার পক্ষে তো কেউ করোনা আবহে পরীক্ষা না হওয়ার পক্ষে। উত্তেজজনক পরিস্থিতির মঝেই সর্বভারতীয় ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা যদি আরও দেরিতে হয়, তাহলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে আপোষ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীকে(PM) এই মর্মেই চিঠি পাঠিয়েছেন দেড়শোরও বেশি শিক্ষাবিদেরা।

তাঁদের অভিযোগ, ‘নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে খেলছেন কয়েকজন।’ চিঠিতে এক‌ই সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘ছাত্র ও যুবরা দেশের ভবিষ্যত্‍ কিন্তু কোভিড ১৯ (COVID-19) অতিমারীর কারণে তাঁদের কেরিয়ারের উপর অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ছেয়ে গিয়েছে। ভর্তি ও ক্লাস নিয়ে প্রচুর সমস্যা রয়েছে, যত শীঘ্র সম্ভব সে গুলির সমাধান করা প্রয়োজন।’ শিক্ষাবিদদের মতে, প্রতি বছরের মতো এ বছরও লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করেছেন। তাঁরা এখন বাড়িতে বসে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছেন।

দুই সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা পিছোনোর দাবিতে চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার দুই প্রবেশিকা পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে…পরীক্ষাগুলি আরও দেরি হলে, ছাত্রছাত্রীদের মহা মূল্যবাণ বছর নষ্ট হয়ে যাবে। যদিও কয়েকজন নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ও সরকারের বিরোধিতা করার জন্য ছাত্রদের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে খেলা করছে।’

তবে করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত রাখার বিষয়েও সরব হয়েছেন পরীক্ষার্থী সহ তাবড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। তাঁদের প্রশ্ন দেশজুড়ে যেখানে ট্রেন চলছে না সেখানে পরীক্ষার্থীরা দূরের পরীক্ষা কেন্দ্রে কীভাবে পৌঁছবে? কিংবা পরীক্ষার্থীরা সংক্রমিত হলে তার দায় কার? এখন দেখার কি সিদ্ধান্ত নেয় নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সরকার।

RELATED Articles

Leave a Comment