কড়া নিরাপত্তার মোড়কে আজ বাবরি মসজিদ (Babri masjid) নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে সিবিআই-এর বিশেষ আদালত। বাবরি মসজিদ কান্ড ৩২ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে বিচারক সুরেন্দ্র কুমার যাদব (Surendra Kumar Yadav)।
এই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী (Lal Krishna Advani), মুরলি মনোহর যোশী (movie Manohar Joshi), উমা ভারতী (uma Bharti), বিনয় কাটিয়ার, সাধ্বী ঋতম্ভরা, মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস, ডা. রামবিলাসী বেদান্তি, চম্পত রায়, মহন্ত ধর্মদাস, সতীশ প্রধান, পবন ক্যমার পান্ডে, লল্লু সিং প্রকাশ শর্মা, বাহাদুর সিং, সন্তোষ দুবে, গান্ধী যাদব, রামজি গুপ্তা, ব্রজ ভূষণ শরণ সিং, কমলেশ ত্রিপাঠী, রামচন্দ্র ক্ষত্রী, জয় ভগবান গোয়েল, ওম প্রকাশ পান্ডে, অমর নাথ গোয়েল, জয়ধন সিং পবৈয়া, মহারাজ স্বামী সাক্ষী, বিনয় কুমার রায়, নবীন ভাই শুক্লা, আরিয়ান শ্রীবাস্তব, সুধীর কুমার কক্কর এবং ধর্মেন্দ্র সিং গুর্জর ও আচার্য ধর্মেন্দ্র। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক ধরে খুব ধীর গতিতে চলছে বিচার প্রক্রিয়া। লখনউ-এর ওল্ড কোর্ট হাউস বিল্ডিং-এর এক কোণে ১৮ নম্বর কোর্টরুমে এই মামলার বিচার হয়। ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল দেশের শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয় যে, রোজ এই মামলার শুনানি করতে হবে।
আর আজ রায় ঘোষণার পরেই গোটা কোর্ট চত্বর জুড়ে শুরু হয় জয় শ্রী রাম ধ্বনি। এই মামলার রায় বেরনোর পরই নিজের বক্তব্য রাখেন এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত আচার্য ধর্মেন্দ্র (Acharya Dharmendra)। তিনি বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে। রায়দানকে আমি প্রণাম জানাচ্ছি।‘ তিনি আরও বলেন, “বাদ বাকি যা যা পুরনো দাগ রয়েছে সেগুলিকে ধোয়া হবে। কাশি মথুরা বাকি আছে।”
সেই সময়কার সেবকরা মনে করতেন যে, যেখানে বাবরি মসজিদ ছিল, সেখানেই নাকি জন্ম হয়েছিল রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। তাই তাঁরা মসজিদটি ভেঙে ফেলে। আর তারপরেই শুরু হয় গোটা দেশজুড়ে শুরু হয় হিংসা। সরকারি হিসেব জানায়, এই হিংসার ঘটনায় প্রায় ১৮০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।





