বদলে গেল দারিদ্র্যের ছবি, মোদীর আমলে ৯ বছরে গরিবি থেকে মুক্ত ২৫ কোটি, সামনে এল নীতি আয়োগের তথ্য

গত ৯ বছরে অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জমানায় দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন ২৪.৮২ কোটি ভারতবাসী। গতকাল, সোমবার নীতি আয়োগের তরফে ‘২০০৫-০৬ সাল থেকে ভারতে বহুমাত্রিক দারিদ্র’ নামের একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। তাতেই দেখা গিয়েছে, গত ৯ বছরে দারিদ্রের সঙ্গে বেশ ভালোভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যমের উপস্থিতিতেই নীতি আয়োগের সদস্য রমেশ চন্দ এই তথ্য প্রকাশ করেন।

কী জানাচ্ছে এই গবেষণাপত্র?

এই গবেষণাপত্র অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ সালে বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচকের নিরিখে ভারতের ২৯.১৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে ছিলেন। তবে ২০২২-২৩ সালে ভারতের ১১.২৮ শতাংশ মানুষ রয়েছেন দারিদ্রসীমার নীচে। অর্থাৎ গত ৯ বছরে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা ভারতীয়দের সংখ্যা কমেছে ১৭.৮৯ শতাংশ। এই গত ৯ বছরে রাজ্য হিসেবে সবথেকে বেশি মানুষ মুক্তি পেয়েছেন দারিদ্রসীমা থেকে, সংখ্যাটা ৫.৯৪ কোটি। এরপরই রয়েছে বিহার (৩.৭৭ কোটি), মধ্য প্রদেশ (২.৩০ কোটি) এবং রাজস্থান (১.৮৭ কোটি)।

এই বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক গোটা বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে। শুধুমাত্র আর্থিক দিক থেকেই নয়, দারিদ্র্যের মূল্যায়নের জন্য নানান ডিঁকি খতিয়ে মূল্যায়ন করা হয় এই সূচকে। এই গবেষণাপত্রে আরও দেখা গিয়েছে, ধীরে ধীরে ভারত দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তি পাচ্ছেয়ার সেই হার দিনদিন বাড়ছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫-০৬ থেকে ২০১৫-১৬ সালের মধ্যে বছরে গড়ে ৭.৬৯ শতাংশ মানুষ দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আর ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৯-২০ সালের মধ্যে বছরে গড়ে ১০.৬৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে গিয়েছে।

কেন্দ্র সরকার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক অর্ধেক করবে। নীতি আয়োগের অনুমান, এভাবে চলতে থাকলে ২০৩০ সালের অনেক আগেই ভারত সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ফেলবে।   

নীতি আয়োগের তরফে এও জানানো হয়েছে, কেন্দ্র সরকারের অ্যানিমিয়া মুক্ত ম্ভারত, পোষণ অভিযানের মতো নানান উদ্যোগগুলি স্বাস্থ্য পরিষেবাকে অনেক উন্নত করেছে। সরকার পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের মাধ্যমে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অধীনে দেশের ৮১.৩৫ কোটি মানুষকে খাদ্যশস্য সরবরাহ করে।  

RELATED Articles