করোনা গোপন করার শাস্তি দিল রেল কতৃপক্ষ ,সাসপেন্ড করা হলো মা কে

ব্যাঙ্গালোর রেল কর্তৃপক্ষ ছেলের কোরোনা ভাইরাসের খবর গোপন করায় মাকে শাস্তি স্বরূপ সাসপেন্ড করেদিল। কোভিড ১৯ ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছিলেন ছেলে। কিন্তু সন্তানকে হাসপাতালের আইসোলেশনে ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সমস্ত ঘটনায় তিনি চেপে যান। আর এই ঘটনার কথা জানতে পেরে ওই মহিলা রেলওয়ে আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হল।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার ছেলের বয়স ২৫ বছর। সদ্যই সে জার্মানি এবং ইতালি ঘুরে ভারতে ফিরেছে। করোনার এরম ভয়াবহতা জেনেও ছেলেকে রেলের কলোনির কাছে একটা গেস্ট হাউসে লুকিয়ে রাখেন ভদ্রমহিলা। দক্ষিণ-পশ্চিম শাখার রেলের তরফে এমনটাই জানিয়েছে। রেলওয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন এই অবিবেচক ঘটনা ঘটিয়ে তিনি নিজের পাশাপাশি বাকিদেরও বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন।পরে অবশ্য ওই তরুণকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ১৩ মার্চ বেঙ্গালুরুতে ফিরেছিলেন ওই তরুণ। এরপর তাঁকে বাড়িতে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয় এয়ারপোর্টের তরফে। এর পাঁচদিন পর জানা যায় তিনি কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এমনই এক ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গেও। কলকাতায় প্রথম যে তরুণ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফিরে প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছেন।কলকাতা বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের পর তাঁকে বেলেঘাটা আইডি-তে যেতে বলা হলে সে তাতে গুরুত্ব না দিয়ে শহরে ঘুরে বেরিয়েছেন। এমনকি মায়ের সঙ্গে নবান্নেও গিয়েছিলেন। এরপর কলকাতায় দ্বিতীয় আক্রান্তের সম্পর্কেও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষিপ্ত রাজ্যের আমজনতা। যে ছেলের মা উচ্চপদস্থ আমলা এবং বাবা শিশু চিকিৎসক সে কীভাবে এমন অবিবেচকের মতো কাজ করেন তাই নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজ্যে। তবে এই আমলার প্রতি এমন কোনো পদক্ষেপ এখনও অবধি নেওয়া হয়নি। আইসেলেশনের বদলে জমায়েতপূর্ন এলাকাতে গিয়ে তারা নিজেদের পাশাপাশি অনেক মানুষকেই বিপদে ফেলেছেন। এই সংক্রামক রোগ কখন কার মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে তা বলা কঠিন। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এমনভাবে ঘোরা ফেরা করলে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক আরো বেড়ে যায়।

RELATED Articles

Leave a Comment