হিন্দু ভাবাবেগকে আঘাত করায় শার্জিল উসমানীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী বিজেপির

এলগার পরিষদে হিন্দু ভাবাবেগকে চরম অপমান করেছে শার্জিল উসমানী, এই কারণে মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানানো হল বিজেপির পক্ষ থেকে। গত ৩১শে জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের বিজেপির মুখ্যসচিব কেশব উপাধ্যায় মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের কাছে আর্জি জানান যে তিনি যেন শার্জিল উস্মানির বিরুদ্ধে হিন্দুত্ব সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

শার্জিল উসমানী একজন প্রাক্তন ছাত্রনেতা ও নিউজলন্ডির লেখক। প্রায় ৫০০ মানুষের উপস্থিতিতে গণেশ কলা ক্রিদা মঞ্চে এলগার পরিষদের দ্বিতীয় সংস্করণের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই অনুষ্ঠানেই তিনি কথ্য ভাষায় হিন্দুসমাজকে আক্রমণ করেন। এরপরই কেশব উপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে আর্জি জানিয়ে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কী শার্জিল উসমানীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেবেন নাকি তাঁরা এখনও হিন্দুত্ব ত্যাগ করেননি, এই বলে সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। রাজ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখের উচিত এই ঘটনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া”।

উল্লেখ্য, গত শনিবার ভীম করেগাও শৌর্য ফিন প্রেরণা অভিযানের নেতৃত্বে এলগার পরিষদের দ্বিতীয় সংস্করণের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। ভীম করেগাও শৌর্য ফিন প্রেরণা অভিযান ২৫০টি দলিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান সংস্থা। ২০১৮ সালে ভীম-করেগাও যুদ্ধের ২০০ বছরের পূর্তি উদযাপনে এই অনুষ্ঠান প্রথম আয়োজিত করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্জিল উসমানী, অরুন্ধতী রায়, প্রশান্ত কানোজিয়া-সহ আরও অনেক বক্তা। এঁরা সকলেই মঞ্চে হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করে একের পর এক মন্তব্য করেন। শার্জিল বলেন যে হিন্দুসমাজ এখনও পচে গিয়েছে। অরুন্ধতী রায়ও গোমূত্র প্রসঙ্গ নিয়ে নানান বিদ্রূপ করেন। এরপর কানোজিয়া বলেন যে যতদিন না পর্যন্ত তার কাশ্মীরি ভাইয়েরা সুবিচার পায়, আখলাক ও পেহ্লু খান সুবিচার পান ও কৃষি আইন প্রত্যাহার না করা হয়, ততদিন তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি এও বলেন যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে গোড়া থেকে উৎখাত করতে হবে। তিনি দলিতদের উদ্দেশ্যে বলেন যে নিপীড়িত হয়ে থাকার চেয়ে রাস্তায় লড়াই করে মৃত্যুবরণ করা ভালো।

RELATED Articles