গতকাল, বুধবারই তিনি সাক্ষাৎ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’র সঙ্গে। এরপর আজ, বৃহস্পতিবারই কংগ্রেস ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। তবে তিনি এও স্পষ্ট জানান যে তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না।
গত কয়েকদিন ধরে বেশ চড়াই-উতরাই দেখা গিয়েছে পঞ্জাব রাজনীতিতে। একের পর এক ধামাকাদার মোড়। প্রথমে অমরিন্দর সিংয়ের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা, নতুন মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ, অমরিন্দর সিংয়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা, আর এরই মধ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সিধুর ইস্তফা। এবার এই সমস্ত ঘটনার সমাপ্তি ঘটতে চলেছে দ্রুতই। ক্রমশই যেন বিজেপির দিকেই ঝুঁকছেন ক্যাপ্টেন, তা তিনি মুখে যাই-ই বলুন না কেন। আবার এদিকে সিধুও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছেন।
সিধুর ইস্তফার দিনই দিল্লি গিয়েছেন অমরিন্দর সিং। বুধবার সন্ধেয় তিনি দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে। ক্যাপ্টেনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবী, এটি রাজনৈতিক সাক্ষাৎ নয়। অমিত শাহ্’র সঙ্গে দেখা করে কৃষি আইন বাতিলের দাবী জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন। তখনকার মতো জল্পনা থামলেও আজ ফের জল্পনা উসকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে দেখা করতে যান অমরিন্দর।
এদিন সাক্ষাৎ শেষে জানিয়ে দেন, “আমি কংগ্রেস ছাড়ছি। যে দলে আমাকে বিশ্বাস করা হয় না, অপমান করা হয়, সেখানে আমি থাকব না”। তবে গেরুয়া শিবিরে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। সাফ জানিয়েছেন যে তিনি বিজেপিতে যোগ দেবেন না।
https://twitter.com/ANI/status/1443509522878717962
এদিকে, অমরিন্দর যখন কংগ্রেস ত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেন, তখনই এদিকে আবার সুর নরম করেন সিধু। সিধুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, শর্তসাপেক্ষে সিধু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদে থাকতে রাজি। সিধু নিজেও আজ মুখ্যমন্ত্রী চরণজিত সিং চান্নির সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কংগ্রেস হাই কম্যান্ড সিধুর কয়েকটি শর্ত মেনে নিতে রাজিও হয়েছে। তবে, এও জানানো হয়েছে যে তাঁর সব শর্ত মানা হবে না। যদি সিধু এতে রাজি না হন, তাহলে বিকল্প রাস্তাও ভেবে রাখা হয়েছে বলে খবর।





