রোজভ্যালি কাণ্ড নিয়ে ফের তৎপর হতেই এবার রহস্যের জাল গোটানো শুরু হয়েছে। এবার এক কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার প্রশ্নবাণে বিদ্ধ অন্য এক কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। কোনও খোঁজ মিলছে না রোজভ্যালি সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুর বাজেয়াপ্ত করা ল্যাপটপ ও মোবাইলের। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ভূমিকা নিয়ে।
২০১৩ সালে রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডের জন্য তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এরপরই সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকে গ্রেফতার করে ইডি। সেই সময় বাজেয়াপ্ত করা হয় গৌতম কুণ্ডুর ল্যাপটপ, মোবাইল ও জরুরি নথিপত্র। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০১৪ সালে রোজভ্যালি কাণ্ডের তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের উপর।
এখন নতুন করে আবার এই কাণ্ডে তল্লাশি শুরু করেছে সিবিআই। এই কারণেই ইডি-র কাছে বাজেয়াপ্ত গৌতম কুণ্ডুর সেই মোবাইল ও ল্যাপটপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সিবিআই। তদন্তের ক্ষেত্রে এই ল্যাপটপ ও মোবাইল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জানা গিয়েছে, গৌতম কুণ্ডুর সেই বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল বা ল্যাপটপের কোনও হদিশ নেই ইডি-র কাছে। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে যে ইডির কাছে থাকা মোবাইল ও ল্যাপটপের গেল কোথায়? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে থাকা জিনিস কীভাবে উধাও হয়ে যেতে পারে? এই নিয়েই ইডি-র দিকে উঠছে প্রশ্ন। উধাও হয়ে যাওয়া মোবাইল ও ল্যাপটপের খোঁজ পেতে ইডি-র তৎকালীন দায়িত্বে থাকা তিন তদন্তকারী অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই-এর আধিকারিকরা। ইডি-র কাছে থাকা জিনিসের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।





