এপ্রিলের ১৪ তারিখের পরে কি আদৌ লকডাউন উঠবে? দেশজোড়া এই জল্পনার মধ্যে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ধাপে ধাপে লকডাউন তোলার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিকে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও তেলেঙ্গানায় লকডাউনের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩ জুন করেছেন। ১৪ তারিখের পরেই লকডাউন তুলে নেওয়া সম্ভব না-ও হতে পারে বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।
এ দিনই প্রথম বার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে পূর্ণ ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে জায়গাগুলি ‘হটস্পট’ নয়, অর্থাৎ যে সব এলাকায় বেশি সংখ্যক করোনা-সংক্রমণের হয়নি, সেখানে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দফতর খোলার পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
ঐ বৈঠকের পর তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর বলেন, ‘‘রোজই বিশ্বের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। মানুষের স্বার্থও দেখতে হবে, করোনাও তাড়াতে হবে। সেই অনুযায়ীই লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’’
অর্থাৎ , প্রধানমন্ত্রীর আজকের মন্তব্য থেকে দু’টি বিষয় স্পষ্ট। এক, ‘হটস্পট’ এলাকায় ১৪ এপ্রিলের পরেও লকডাউন উঠবে না। দুই, একসঙ্গে সব কিছু খুলে দেওয়া হবে না। নানা রকম বিধিনিষেধ জারি থাকবে। যেমন, পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে স্কুল-কলেজ আরও কিছু দিন বন্ধ রাখা হতে পারে।
সূত্রের খবর, কী ভাবে সংক্রমণ না-ছড়িয়ে লকডাউন ধাপে ধাপে তোলা যায়, সে ব্যাপারে মন্ত্রীদের নিজের রাজ্যে জেলাস্তরে, সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক মন্ত্রী বলেন, ‘‘রবি ফসল কাটার বিষয়টিও মাথায় রাখতে বলা হয়েছে। শ্রমিকরা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে পারেন, এমন কী কী শিল্প খুলে দেওয়া যায়, তা নিয়েও ভাবতে বলা হয়েছে।’’





