সম্প্রতিই ‘সমাজবাদী আতর’ বাজারে আনেন পীযূষ জৈন। এবার অখিলেশ ঘনিষ্ঠ এই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল ১৭৭ কোটি টাকা। গতকাল, শুক্রবার এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় প্রেক্ষিতে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডিরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমসের দল।
সমাজবাদী আতর বাজারে আনার পরই তাঁর বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। আর সেই অভিযানে যে পরিমাণ অর্থ উদ্ধার হল, তাতে চক্ষু ছানাবড়া আয়কর দফতরের আধিকারিকদের।
পীযূষ জৈনের বাড়ি ছাড়াও তাঁর কারখানা, দফতর, কোল্ডস্টোর, পেট্রোল পাম্পে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। কানপুর ছাড়াও মুম্বইতে পীযূষ জৈনের বাসভবনেও চলে ব্যাপক তল্লাশি। এই নামী ব্যবসায়ী বর্তমানে কানপুরের বাসিন্দা। তবে কনৌজে তাঁর একটি কারখানা , কোল্ড স্টোর ও পেট্রোল পাম্প রয়েছে। সেখানেও চলে তল্লাশি।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই ব্যবসায়ী কানপুরে বসবাসের আগে কনৌজে বহুদিন থেকেছেন। পীযূষ জৈনের নামে ৪০টি সংস্থা নথিভুক্ত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে ২টি। তদন্তকারী দল সূত্রের খবর, ভুয়ো সংস্থার নাম দেখিয়ে ওই ব্যবসায়ী প্রচুর টাকার কর ফাঁকি দিতেন এতদিন।
এই অভিযানের প্রেক্ষিতে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডিরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমসের চেয়ারম্যান বিবেক জোহরি বলেন, “জৈন কর ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা করছিলেন বলে অভিযোগ আসে। সেই অনুযায়ী তল্লাশি চালানো হয়৷ তখনই এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করা হয়৷ তাছাড়া জাল বিল দিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ আসে৷ সেই সংক্রান্তও কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে”।
বিবেক জোহরি আরও জানান যে এই ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকেই যুক্ত। শুধুমাত্র পীযূষ জৈনের বাড়িই নয়, এদিন এক পানমশলা সংস্থার মালিক ও এক ট্রান্সপোর্টারের নানান দফতরেও তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর।





