করোনা মোকাবিলার জন্য চলা লকডাউনে ধাক্কা খাওয়া ছোট সংস্থাগুলিকে সময়মতো তাদের পাওনা অর্থ ফেরত দিয়ে দেওয়ার জন্য সরকার তৈরি করছে এক লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ। বণিকসভা অ্যাসোচেম আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে শুক্রবারে এই কথাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ী। এছাড়াও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন এইসব সংস্থার সংজ্ঞা পরিবর্তন হতে পারে বলে। এমন প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পড়ে রয়েছে।
মন্ত্রীর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের কথা মাথায় রেখে তাঁরা এক লক্ষ কোটি টাকার রিভলভিং ফান্ড গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই তহবিলের বিমা করা থাকবে আর সরকার সেই বিমার অর্থই দেবে। পাশাপাশি তাদের জন্য একটা ফর্মুলা তৈরি করা হচ্ছে এবং ন্যূনতম এক লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হবে এবং তার থেকে সুদ আসবে।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, এই প্রকল্পটি একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে, এখন সেটিকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে পাঠানো হবে অনুমোদনের জন্য। নগদের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য এটি একটি পদ্ধতি। পাশাপাশি গড়কড়ী জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে তিনি অনুরোধ করেছেন ফাস্ট ট্র্যাক পদ্ধতিতে কর রিফান্ডের ব্যবস্থা করতে যাতে রিটার্ন ফাইল করার আট দিনের মধ্যে তা পাওয়া যায়।
গড়কড়ী আরও জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোরের কাছে আর্জি জানিয়েছেন এমপ্লয়িজ স্টেট ইন্সুরেন্স-এ পড়ে থাকা ৮০,০০০ কোটি টাকা কাজে লাগাতে যখন ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগ চাপে রয়েছে এপ্রিল মাসের বেতন দেওয়ার ব্যাপারে। এই প্রস্তাবটির প্রধানমন্ত্রী অফিস (পি এম ও) এবং অর্থমন্ত্রক খতিয়ে দেখছে।
এদিকে সরকার বার্ষিক লেনদেনের উপর ভিত্তি করা ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগের যে সংজ্ঞা রয়েছে সেটিকে নতুন করে দেওয়ার ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা করছে। সে ক্ষেত্রে সংজ্ঞা হতে পারে তাদের স্বঘোষিত মেশিনপত্র বিনিয়োগের ভিত্তিতে। এর লক্ষ্য হলো জিএসটি’র সময় তাদের মধ্যে সমতা ফেরানো এবং সহজে ব্যবসা করার পরিবেশ তৈরি করা।





