মাথার উপর দিয়ে বিমান চলে গেলে সেই বিমানকে দেখার জন্য মাথা উঁচু করে দেখতে সবাই ছোটবেলায় আগ্রহ থাকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েরা যারা কোনওদিন বিমানে ওঠেনি তাদের একটা জানার আগ্রহ থাকে বিমান কিভাবে উঠানামা করছে তা দেখার এবং জানবার। সেই বিমান দেখতে এয়ারপোর্টে সিকিউরিটি পারমিশন না দেওয়ায় ৮ বছর পর যা করলেন আপনার ভাবনার বাইরে।
রাজস্থানের জয়পুরের রাজলদেসরের বাসিন্দা বজরঙ্গী ওরফে ব্রিজমোহন। ছোটবেলায় বিমানবন্দরে নিরাপত্তা রক্ষীরা ঢুকতে না দেওয়ায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি সেই আঘাতকে কাজে লাগিয়ে নিজের অনুপ্রেরণা যুগিয়ে ছিল সে। বড় হয়ে আট বছর প্রস্রাব করে বানিয়ে ফেললে নিজেই আস্ত বীমা।
বজরঙ্গী পঞ্চম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা করেনি। নিজের একটি মোবাইল ও কম্পিউটার সারানোর দোকান রয়েছে সেখান থেকেই রুজিরুটি হয় তাঁর। দীর্ঘ ১৮ বছর কষ্ট করে পনেরো লক্ষ টাকা ব্যয়ে সে নিজেই বানিয়ে ফেলেছে দুজন বসার একটি বিমান। সে দাবি করেছে, বিমান ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারবে এবং বিমানে ৪৫ লিটার জ্বালানির ট্যাঙ্ক রয়েছে। এই জ্বালানিতে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারবে তাঁর বিমান।
কিন্তু সে এখনো পর্যন্ত নিজের তৈরি বিমান নিয়ে আকাশে উঠতে পারেনি। কারণ বিমান ওড়ানোর জন্য লাগে সরকারি অনুমতি। গ্রামবাসীরা আশা করছেন, খুব শীঘ্রই তাঁর বিমানে চেপে আকাশে উড়বেন। বজরঙ্গী ইতিম্যেই সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন।





