বেশ কিছুদিনের জন্য এবার রাজনীতিকে আলভিদা জানালেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা ভরতসিন সোলাঙ্কি। তিনি জানান যে তিনি কিছুদিনের জন্য ছুটি নিচ্ছেন। এখন তিনি সমাজসেবকমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। তবে কোনও রাজনৈতিক কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন নি, বরং নিয়েছেন পারিবারিক কারণে।
চলতি বছরের শেষের দিকেই রয়েছে গুজরাতের বিধানসভা নির্বাচন। এর আগে ভরতসিনের একটি ভিডিও তুমুল ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেই ভিডিওটি তাঁর স্ত্রী রেশমা প্যাটেলই বানিয়েছেন।
এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে একটি ঘরের দরজা ঠেলে ঢুকছেন রেশমা। সেখানে এক অল্পবয়সী মেয়েকে দেখা যায়। রেশমা তার কাছে তেড়ে যান। সেই সময় ভরতসিন তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। এরপরই রেশমা ওই মেয়েটির চুলের মুঠি ধরে টেনে তাকে মারতে থাকেন। রেশমার অভিযোগ, ওই মেয়েটির সঙ্গেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন তাঁর স্বামী ভরতসিন সোলাঙ্কি।
https://twitter.com/Wind_chime11/status/1532221737173147654?t=ZwOBbFDJ3083eii-U8WAxQ&s=19
বলে রাখি, গুজরাতের রাজনীতিতে ভারতসিন বেশ পরিচিত একটি নাম। ভরতসিনের বাবা মাধবসিন সিংহ সোলাঙ্কি ছিলেন চন্দ্রশেখর সরকারের বিদেশমন্ত্রী। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। এদিকে আনন্দ লোকসভা আসন থেকে ২০০৪ ও ২০০৯ সালে পর পর দু’বার সাংসদ হয়েছেন ভরতসিন। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের সময়ে কেন্দ্রের মন্ত্রীও থেকেছেন তিনি। কয়েক বছর গুজরাত প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিও ছিলেন।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগেই কংগ্রেস নেতার এমন একটি গোপনীয় ভিডিও ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে দল। জানা যাচ্ছে, দলের তরফেই ভরতসিনকে আপাতত রাজনীতি থেকে কিছুদিন বিরত থাকতে বলা হয়েছে। তবে এদিকে ভরতসিন জানান যে রাজনীতি থেকে বিরতি নেওয়া, এটা একান্তই তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত। ব্যক্তিগত কারণেই তিনি রাজনীতি থেকে কিছুদিন দূরে থাকতে চান।
এর পাশাপাশি স্ত্রী রেশমার বিরুদ্ধেও নানান অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন যে তারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকেন না। তাঁর দাবী, কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্যই কোনও বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন রেশমা। ভরতসিনের দাবী, রেশমার সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে।





