করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এরপর সঠিকভাবে করোনা বিধি না মানলে ফের অক্টোবর-নভেম্বর মাসেই দেশে আছড়ে পড়বে করোনার তৃতীয় ঢেউ। তবে এমন এক সংকটময় পরিস্থিতিতে একটু আশার আলো দেখালেন সরকারি প্যানেলের গবেষকরা।
তাঁর কথায়, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় যে পরিমাণ দৈনিক সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল, তৃতীয় ঢেউয়ে সেই সংখ্যা অর্ধেক হবে। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় যেমন সংক্রমণ ছিল, তৃতীয় ঢেউয়ে তা হবে না, এমনটাই দাবী করেছেন এই গবেষক।
বলে রাখি, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ৭ই মে ভারত সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ দেখেছিল। এদিন ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪ লাখ ১৪ হাজার ১৮৮ জন। আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক মনীন্দ্র আগরওয়াল জানান যে যদি নতুন কোনও ভ্যারিয়্যান্ট তৃতীয় ঢেউয়ের সময় সাধারণ মানুষের দেহে থাবা বসায়, তাহলে তা অধিক সংক্রামক হতে পারে।
আসলে, করোনা গ্রাফের উপর ঠিকঠাক নজর রাখার জন্য গত বছরই ডিপার্টমেন্ট অফ সায়েন্স টেকনোলোজি-র তরফে বিশেষজ্ঞদের একটি দল তৈরি করা হয়। মণীন্দ্র আগরওয়ালও এই প্যানেলের সদস্য। এই প্যানেলে রয়েছেন আইআইটি হায়দ্রাবাদের গবেষক এম বিদ্যাসাগর।
এই বিজ্ঞানীরা ভারতে করোনার সংক্রমণ কীরকম, তার একটি রূপরেখা তৈরি করেন। মণীন্দ্র আগরওয়ালের মতে, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে আরও ভয়াবহ ভ্যারিয়েন্ট প্রভাব বিস্তার করবে।
একাধিক টুইটেও তিনি জানান, “আমরা মনে করছি অগাস্টে জীবন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে। আরও একটি সম্ভাবনা রয়েছে। অগাস্ট মাসে ২৫ শতাংশ অধিক সংক্রামক ভ্যারিয়্যান্ট থাবা বসাতে পারে। এই ভ্যারিয়্যান্টটি ডেল্টা প্লাস নয়”।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৭১ জন। এদিন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫২ হাজার ২৯৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৪৩৩। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট ২ কোটি ৯৬ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮ জন। দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখ দু হাজার পাঁচ জন।





