আজ স্বামীজির মহাসমাধি দিবস, ফিরে দেখা স্বামীজির জীবনের কিছু ঘটনা

প্রতি বছরের ৪ই জুলাই স্বামী বিবেকানন্দের তিরোধান দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে করা হয়, তাঁর দেহ বিলীন হয়ে গেলেও, তিনি মানুষের কাছে আজও চিরস্মরণীয়। স্বামীজির মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল, তা নিয়েই নানান মত প্রচলিত রয়েছে।

ভারতের ইতিহাসে স্বামী বিবেকানন্দকে এক উজ্জ্বল আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯০২ সালের ৪ই জুলাই মৃত্যু হয় স্বামীজির। তবে তারা ভক্ত ও অনুগামীদের বিশ্বাস, এদিনই তাঁর মহাসমাধি ঘটেছিল। এই কারণেই আজকের দিনটিকে স্বামীজির মহাসমাধি দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।

১৮৯৩ সালে শিকাগো শহরে বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে তাঁর পেশ করা বক্তব্য আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। সেখানেই দুনিয়া শুনেছিল তাঁর বিখ্যাত উক্তি — ‘মাই ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স অফ আমেরিকা।’ আজও তাঁর বাণী প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। উনবিংশ শতকে আন্তঃধর্ম সচেতনতা বৃদ্ধি ও হিন্দুত্বকে বিশ্বমঞ্চে মেলে ধরার বিষয়ে স্বামী বিবেকানন্দকেই পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য করা হয়।

বিজ্ঞান ও ধর্মের বিষয়েও তাঁর জ্ঞান ছিল অগাধ। তিনিই পাশ্চাত্য দেশকে দেখিয়েছিলেন কীভাবে বিজ্ঞান ও ধর্মের সহাবস্থান সম্ভব। স্বামীজিই পাশ্চাত্য দুনিয়রা সঙ্গে বেদ বেদান্তের পরিচয় করিয়ে দেন। এ বিষয়ে তিনিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

১৮৬৩ সালের ১২ই জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন স্বামী বিবেকানন্দ। ছোটবেলা থেকেই আধ্যাত্মিকতার প্রতি তাঁর প্রচণ্ড আকর্ষণ ছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে দেবদেবীর সামনে বসে তিনি ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য ছিলেন স্বামীজি। তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠা হয় রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের।

RELATED Articles