দিল্লির বাঙালি বাজারে বৃহস্পতিবার সকালেই দিল্লির একটি দোকানের মাথায় ৩৫ জন শ্রমিককে খুঁজে পায় পুলিশ। এফআইআর দায়ের করা হয়েছে ওই বাঙালি দোকানদারের বিরুদ্ধে।
এই বাঙালিবাজারের বাঙালি পেস্ট্রির দোকানটি বেশ জনপ্রিয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ , লকডাউনের বাজারেও শ্রমিকদের অস্বাস্থ্যকর ভাবে রেখে দিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। এমনকী ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর নামে। ওই ব্যবসায়ী অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এই শ্রমিকদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই বলে তিনি থাকতে দিয়েছিলেন।
পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, দোকানের ছাদে খুব অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে গাদাগাদি ভাবে থাকছিলেন শ্রমিকরা। কোনও সোশ্যাল ডিস্টেনসিং এর বালাই ছিল না। ওই ৩৫ জন শ্রমিককে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দু’জন শ্রমিকের দেহে করোনা পজিটিভও এসেছে।
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে। ওই এলাকায় আনুমানিক ৩০০টি বাড়ি রয়েছে। প্রশাসনের তরফে অনুরোধ করা হয়েছ, কেউ যাতে বাড়ি থেকে না বের হয়। বাড়িতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হোম ডেলিভারিরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে দেশে করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সারা দেশে আক্রান্তছর সংখ্যা ৫৭৩৪। আক্রান্তের তালিকায় শীর্ষে আছে মহারাষ্ট্র। তারপরে দ্বিতীয় তামিলনাড়ু ও তৃতীয় দিল্লি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬৯। ২০টি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে হটস্পট হিসেবে। রাস্তায় বের হলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে কেজরিওয়াল সরকার।





