লাভ জেহাদের ফল! প্রেমিক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করায় আত্মঘাতী দলিত হিন্দু তরুণী

ফের এক লাভ জেহাদের ঘটনায় প্রাণ গেল ২৬ বছর বয়সী দলিত হিন্দু তরুণীর। প্রেমিক ধর্মান্তর করাতে বাধ্য করায় আত্মঘাতী হয়েছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের ওই তরুণী। একটি আত্মহত্যার নোটও লিখে রেখে গিয়েছেন তরুণ যাতে লেখা রয়েছে আদিল খান নামের এক যুবক তার আত্মহত্যার জন্য দায়ী।

ভোপালের টিটি নগর অঞ্চলের বাসিন্দা পূজা। পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট বছর ধরীকে অপরকে চিনতেন পূজা ও আদিল। প্রথমে নাম ও পরিচয় বদলে পূজার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে আদিল। সে বলে তার নাম বাবলু। এরপর ধীরে ধীরে দুজনের বন্ধুত্ব হয় ও সম্পর্ক আরও গভীর হয়। বেশ কিছু সময় পর পূজা জানতে পারে, আদিল আসলে মুসলিম। এরপর থেকেই আদিলের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করে পূজা। কিন্তু আদিল তাকে নানাভাবে হেনস্থা করতে থাকে বলে অভিযোগ পূজার পরিবারের।

এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক বজায় থাকলেও আদিল ধর্মান্তরের ব্যাপারে পূজার উপর চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু তা মেনে নেয়নি তরুণী। এরপর অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে আদিল বাগদান সেরে ফেলেন, এর জেরে রাগে-দুঃখে আত্মঘাতী হন পূজা। পরিবার সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজেকে ঘরে বন্ধ করে নেন পূজা। বেশ কিছু সময় পরেও যখন দরজা খোলে না, তখন পরিবারের লোকই দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পূজার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ঘরে একটি আত্মঘাতী নোট পায় পুলিশ, এতে লেখা ছিল, “আমার নাম পূজা। আমি আত্মহত্যা করছি। আমার আত্মহত্যার জন্য খালিক খানের ছেলে আদিল খান দায়ী”।

পরিবারের তরফ থেকে আদিলের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে আদিলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে মৃতার পরিবারের দাবী, আদিলের বিরুদ্ধে লাভ জেহাদ ও ধর্মান্তরে বাধ্য করানোর মামলা দায়ের করা হোক। ইতিমধ্যেই, আদিলের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও দলিত সুরক্ষা আইনের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জোর করে ধর্মান্তর করানোর বিরুদ্ধে শনিবারই একটি রায় পাশ করিয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। এই রায় অনুযায়ী যদি কেউ বা কারা জোর করে কাউকে দিয়ে ধর্মান্তর করানোর চেষ্টা করে, তবে তার না তাদের ১০ বছরের কারাদণ্ড হবে। লাভ জেহাদ ও জোর করে ধর্মান্তর রুখতেইএই পদক্ষেপ নিয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার।

আরও অন্যান্য খবর