সত্যিকারের প্রেম আজও আছে, তার সাক্ষাৎ উদাহরণ ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা এবং ডিম্পল চিমার প্রেমকাহিনী। এর আগেও ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রাকে নিয়ে সিনেমা হয়েছে তবে শেরশাহ সিনেমাটি দেশের এই বীর সন্তানকে আরও বেশি করে চিনতে শিখিয়েছে।
তাদের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন শহীদ বিক্রম বাত্রার বাবা গিরিধারী লাল বাত্রা এবং মা কমল কান্তা বাত্রাও। সিনেমার প্রশংসা করে তারা জানান ‘শেরশাহ একটি খুব সুন্দর ছবি। সিদ্ধার্থ আর কিয়ারা খুব ভালো কাজ করেছে।’ প্রশংসা করেছেন পরিচালক বিষ্ণু বর্ধনেরও। প্রসঙ্গত,১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে বিক্রমের কোডনেম ছিল শেরশাহ।
ভালোবাসার বন্ধনের মাঝে যুদ্ধের আবহ তছনছ করে দিয়েছিল ডিম্পলের জীবন।বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের আর বিয়েটা হয়নি। কিন্তু ডিম্পল নিজেকে বিক্রমের স্ত্রী মনে করতেন। তাই বিক্রমের মৃত্যুর পর দুই পরিবারের তরফে তাঁকে অনেক বোঝানো হলেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে সারাজীবন অবিবাহিত থেকে যান তিনি।

এমনকি সেই সময় দুই বাড়ির সদস্যদের ডিম্পল জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি তাঁর বাকি জীবনটা বিক্রমের সাথে কাটানো মুহুর্তগুলোকে আঁকড়ে ধরেই কাটিয়ে দেবেন। তারপর থেকে তিনি নিজের মতো করেই জীবন যাপন করছেন।দুই পরিবারের মধ্যে আজও সম্পর্ক একই রকম আছে।আজ শেরশাহ না থাকলেও তাঁর বাবা মা কে তাঁদের জন্মদিনে আজও ফোন করতে ভোলেননা ডিম্পল।
বিক্রমের পরিবার থেকে শুরুর দিন থেকেই ডিম্পলের সাথে তার সম্পর্ক মেনে নিয়েছিলেন সকলেই।এবিষয়ে তাঁরা জানিয়েছেন ‘ভুল পথে না গেলে কিংবা কোনও অন্যায় না করলে কোনওদিন কিছু করতে বিক্রমকে বাধা দিইনি। তাছাড়া আমরা শুরু থেকেই জানতাম পারিবারিক মূল্যবোধ এবং সম্পর্কের প্রতি ডিম্পল কতটা শ্রদ্ধাশীল।’





