দীপাবলির আগমনই যেন দেশের প্রতিটি কোণে আনন্দের আলোয় ভরে ওঠে । ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট —সবই প্রদীপের আলোয় সেজে ওঠে। ছোট বড় সবাই এই উৎসবকে উপভোগ করছে, তবে এই আনন্দের সঙ্গে এসেছে পরিবেশ সচেতনতার আহ্বানও। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেরা দেশবাসীর কাছে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, যা দীপাবলির আনন্দকে আরও অর্থপূর্ণ করে তুলেছে।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক্স হ্যান্ডল পোস্টে লিখেছেন, “দেশজুড়ে প্রবল উৎসাহে পালিত হচ্ছে দীপাবলি। এই উৎসব পরস্পরের প্রতি সৌভ্রাতৃত্ব এবং স্নেহের বার্তা বহন করে।” প্রবাসী ভারতীয়রাও এই আলোর উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, যাঁরা এই উৎসবে বঞ্চিত বা সাহায্যের প্রয়োজন তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। পাশাপাশি তিনি দেশের নাগরিকদের পরিবেশবান্ধব এবং দায়িত্বশীলভাবে উৎসব পালনের আহ্বানও জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, “দীপাবলিতে সকলকে শুভেচ্ছা। আলোর এই উৎসব আমাদের জীবনকে সুখী এবং সমৃদ্ধ করুক। চারপাশে ইতিবাচক চেতনা এবং শান্তির বোধ তৈরি হোক।” প্রধানমন্ত্রীও সামাজিক বন্ধুত্ব এবং পরিবেশ সচেতনতার বার্তা জোর দিয়ে বলেছেন, যাতে এই আনন্দের দিনগুলোতে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় থাকে।
উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে বায়ুদূষণের প্রভাব যেন না পড়ে, তার জন্য প্রশাসন একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টও দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকার জন্য বাজি সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। আদালত জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২১ অক্টোবর, সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে মাত্র তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ‘সবুজ আতশবাজি’ পোড়ানো যাবে। এভাবেই আইন মেনে সবুজ ও নিরাপদ উৎসব পালনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Tax Raid : ‘দেহ*ব্যবসা করেই জমিয়েছি কোটি টাকা…!’ টয়লেটে মিলল লাখ লাখ টাকা, আয়কর হানায় ফাঁস হিট নায়িকার কেলেঙ্কারি!
দীপাবলির আনন্দ, সামাজিক বন্ধুত্ব এবং পরিবেশ সচেতনতার এই সমন্বয় দেশের নাগরিকদের মনে আরও আনন্দের বার্তা বহন করছে। আলোর এই উৎসব যেন শুধু আনন্দ নয়, পাশাপাশি আমাদের দায়িত্ববোধের প্রতীক হয়ে ওঠে—যেখানে সবাই উৎসব উদযাপন করতে পারে, কিন্তু পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতার প্রতি সচেতন থেকেও। তাই এই দীপাবলিতে একসঙ্গে উদযাপন এবং দায়িত্বশীলতা—দুটোই যেন দেশের জন্য আলোর বার্তা বহন করে।






