তীর্থ থেকে ফেরার সময়ই সব শেষ! ভয়াবহ আগুন গোটা বাসে, ঘুমের মধ্যেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু ৮ পুন্যার্থীর, জখম আরও বেশি

Eight devotees burned to death: তীর্থ করে ফিরছিলেন একই পরিবারের ৬০ জন সদস্য। কিন্তু শেষরক্ষা আর হল না। বাড়ি ফেরার পথেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বাসে আগুন (bus caught fire) লেগে মৃত্যু ৮ জনের (Eight devotees burned to death)। ঘুমের মধ্যেই পুড়ে ছাই যাত্রীরা। জখম একাধিক। মর্মান্তিক ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।    

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, শুক্রবার রাত দেড়টা নাগাদ। জানা গিয়েছে, একই পরিবারের ৬০ জন সদস্য মথুরা-বৃন্দাবন থেকে তীর্থ করে ফিরছিলেন। এরা সকলেই পঞ্জাবের বাসিন্দা। ফেরার পথে বাসে আগুন (bus caught fire) লেগে যায়। এর জেরে এমন ভয়াবহ মৃত্যু (Eight devotees burned to death)

জানা গিয়েছে, হরিয়ানার কুণ্ডলী-মানেসর-পালওয়াল এক্সপ্রেসওয়েতে থাকার সময়ই ওই বাসের পিছনের দিকে আগুন (bus caught fire) লেগে যায়। সকল যাত্রীই ঘুমোচ্ছিলেন সেই সময়। ফলে কেউই কিছু জানতে পারেন নি। পিছনের দিকে থাকা এক বাইক চালক সেই আগুন লক্ষ্য করে বাইক ওভারটেক করে বাসচালককে সতর্ক করেন।

বাস দাঁড় করাতেই স্থানীয়রা ছুটে আসেন। জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয় (bus caught fire)। বাসের সামনের দিকে যে যাত্রীরা বসেছিলেন, তাদের রক্ষা করা গেলেও, যারা পিছনের দিকে ছিলেন, তাদের রক্ষা করা যায়নি। কমপক্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (Eight devotees burned to death)। জখম আরও ১২ জন।

ওই বাসে থাকা এক বৃদ্ধা জানান, “আমি বাসের সামনের সিটেই বসেছিলাম। আগুন লাগার খবর শুনেই আমি বাসের জানলা থেকে ঝাঁপ দিই (bus caught fire)। কোনওরকমে নিজের প্রাণ বাঁচাই”। তিনি আরও জানান, বাসে তাঁর বেশ কয়েকজন আত্মীয় ছিলেন। সকলেই সাত-আট দিনের তীর্থযাত্রা সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু ফেরার পথেই এই দুর্ঘটনা ঘটে (Eight devotees burned to death)। 

এই ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “বাসটিকে ওইভাবে জ্বলতে (bus caught fire) দেখে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পুলিশে খবর দেওয়া হলে দমকলের ৪টি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয়। আগুন নিভলে দেখা যায় বাসটির আর কোনও কিছু অবশিষ্ট নেই” (Eight devotees burned to death)

যাত্রীদের নামাতে নামাতেই গোটা বাসে আগুন (bus caught fire) ছড়িয়ে পড়ে। কীভাবে এমন বিধ্বংসী আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। বাসের পিছনে থাকা এসিতে হয়ত আগুন ধরে গিয়েছিল। এর থেকেই এমন ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে (Eight devotees burned to death)

RELATED Articles