রাজস্থানের রাজনীতিতে কংগ্রেসের কাউকেই প্রয়োজন নেই। নিজেরাই নিজেদের দলের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে। অন্যদল ঢুকবে কোথা দিয়ে। নিজেরাই নিজেদের মধ্যে এমন লড়াই জারি রেখেছে বিরোধী দল পাশ থেকে একটুখানি তাতিয়ে দিলেই হল। বেশি কিছু করতে লাগবেনা। বাকিটা কংগ্রেস নিজেই বুঝে নেবে। রাজস্থানে রাজনীতির সংকটের মাঝে ঠিক এই তাতানোর কাজটাই নিয়েছে বিজেপি। তরুণ কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলটকে উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর পর কংগ্রেসের ফাটল এখন কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। খাদের কিনারায় চলে যাওয়া কংগ্রেসের ‘দুর্বল’ সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সতীশ পুনিয়া বলেন, ‘এই সরকার নিয়ে মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং হতাশ। বিশ্বের কোনও শক্তি এই সরকারকে বাঁচাতে পারবে না। আমাদের অগ্রাধিকার হল, এই সরকার ক্ষমতা হারাক। আমরা সতর্ক আছি, পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি এবং কী পরিস্থিতি হয়, তার ভিত্তিতে আমাদের রণনীতি নির্ধারণ করব।’
যদিও কিছুটা নীতি নিয়ে এখনও সরাসরি আস্থাভোটের দাবি তুলছে না কংগ্রেসের প্রধান প্রতিপক্ষ গেরুয়া শিবির। দিল্লিতে এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, যতক্ষণ না গেরুয়া শিবির নিশ্চিত হচ্ছে যে কংগ্রেস সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে, ততক্ষণ আস্থাভোটের দাবি জানানো হবে না। তবে কংগ্রেসের হাতে খুব একটা সমর্থনও নেই। মুখে ১০৯ জন বিধায়কের সমর্থন থাকার দাবি করলেও আদতে অশোক গেহলটের ঝুলিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে খুব বেশি বিধায়ক নেই বলেই খবর। বিজেপির হাতে নিজেদের ৭২ জন বিধায়ক আছেন। পাশাপাশি আরও তিন বিধায়কেরও সমর্থন রয়েছে গেরুয়া শিবিরের দখলে।
তারইমধ্যে সরাসরি আস্থাভোটের পক্ষে সওয়াল না করলেও ঘুরিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চাপ তৈরির কাজ সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি।





