এবার আসামের রাজ্য রাজনীতিতে লাগলো বিতর্কের ছোঁয়া। আসামের কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈ সম্প্রতি দাবি করেছেন যে, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ কে আসাম এর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হতে পারে। তিনি রাম মন্দির সংক্রান্ত যে রায় দিয়েছিলেন তারই পুরস্কার স্বরূপ তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হতে চলেছেন বলে দাবি করেছেন তরুণ গগৈ। যদিও তরুণ গগৈ এর এই মন্তব্যে এখনো পর্যন্ত বিজেপির তরফ থেকে কোনো পাল্টা মন্তব্য করা হয়নি। এমনকি প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈও কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি।
সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এর আমলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে শীর্ষ আদালতে । যার মধ্যে অন্যতম হলো রাম মন্দিরের মামলা। রঞ্জন গগৈ এর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চই অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির গড়ার পক্ষে রায় দেয়।
এই রায় ঘোষণার পরই বিরোধীরা অভিযোগ করেন যে রঞ্জন গগৈ বিজেপির পক্ষে রায় দিয়েছেন। এবার আসামের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈ এর দাবিতে এই বিতর্ক আরো জোরদার হল, বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এই দিন তরুণ গগৈ সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান যে, তিনি তার নিজস্ব গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়েছেন রঞ্জন গগৈকে বিজেপি আসাম এর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি যদি রাজ্যসভার সাংসদ হতে পারেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়ার প্রস্তাবেও তিনি সায় দিতে পারেন।”
তাঁর বক্তব্য, রঞ্জন গগৈ এর রাম মন্দির রায়ে বিজেপি খুশি হয়েছে। এগুলো সবই রাজনীতি। রঞ্জন গগৈ প্রথমে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার জন্য রাজি হলেন। এখন মুখ্যমন্ত্রী হতেও তার অসুবিধা থাকার কথা নয়। তরুণ গগৈ এর প্রশ্ন, সাংসদ মনোনীত হওয়ার জন্য কেন রাজি হলেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি? তিনিতো মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হতে পারতেন। এর থেকে প্রমাণিত হয় তিনি রাজনীতিতে অত্যন্ত উৎসাহী।





