প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেই ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। আজ, মঙ্গলবার এমনটাই দাবী করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আবার যুদ্ধজর্জর দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে বিদেশমন্ত্রকের পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল কংগ্রেসের মুখে।
বিদেশমন্ত্রীর দাবী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে অল্প সময়ের জন্য বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়েছে। আর এর পিছনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সদর্থক ভূমিকা। তিনি জানান, ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে মোদীর কথোপকথনের ফলেই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে।
এদিন ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশিয়ার গোলাবর্ষণে ভারতীয় ছাত্র নবীন শেখরাপ্পার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ভারতীয় ছাত্র হরজ্যোত সিং যিনি আহত হয়েছেন, তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। তাঁকে বিশেষ বিমানে করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানান এস জয়শঙ্কর।
এদিকে আবার ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে বিদেশমন্ত্রক যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার ঢালাও প্রশংসা করেন প্রাক্তন কংগ্রেস মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস সাংসদ আনন্দ শর্মা। রাজসভায় তাঁর দাবী, বিদেশমন্ত্রক যে কাজ করেছে তা মোটেই সহজ ছিল না।
গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে রাশিয়া। এরপর থেকেই সেদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর জন্য উদ্যোগ নেয় ভারত সরকার। শুরু হয় ‘অপারেশন গঙ্গা’ অভিযান। সরকারের কথা অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ইউক্রেনে আর কোনও ভারতীয় আটকে নেই। যারা এখনও দেশে ফেরেন নি, তারা ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশে রয়েছেন। শীঘ্রই ফিরে আসবেন তারাও। যদিও বিরোধীদের আবার দাবী, এখনও বেশ কিছু ভারতীয় রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে।
এমন আবহে গত রবিবার ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা নিয়েও আলোচনা হয় এই বৈঠকে।





