ভারতবর্ষের অন্যতম বড় দুর্নীতি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অর্থ তছরুপ ও আর্থিক প্রতারণা মামলায় হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদী ও তাঁর কাকা মেহুল চোস্কিকে দেশে ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় শুরু করল ভারত সরকার। এই খবরটি জানিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সচিব রাবিশ কুমার বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘নীরব মোদির বিরুদ্ধে যে দুটি অভিযোগ রয়েছে, তা বর্তমানে লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে বিচারাধীন। আমরা আমাদের তরফে যাবতীয় চেষ্টা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নীরব মোদিকে দেশে নিয়ে আসা সম্ভব হয়’। পাশাপাশি মেহুল চোস্কিকেও ভারতে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। এই ব্যাপারে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে রাবিশ কুমার জানিয়েছেন, ‘আমরা আন্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারকে অনুরোধ করেছি, যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেহুল চোস্কির বিরুদ্ধে তাঁরা আইনি পদ্ধতি শেষ করেন। পদ্ধতি শেষ হলেই ভারতে আনা সম্ভব হবে মেহুল চোস্কিকে।’
প্রসঙ্গত প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদি ও মেহুল চোস্কির বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার আগেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান ওই দুইজন অভিযুক্ত। কিন্তু অভিযোগ সামনে আসার পর লন্ডন পুলিশের সাহায্যে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে গ্রেফতার করা হয় নীরব মোদিকে। একইভাবে বৈদেশিক পুলিশের সাহায্যে মেহুল চোস্কিকেও গ্রেফতার করা হয়। তখন থেকেই ওই দু’জনকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। এদিনও সাংবাদিক বৈঠকে সে কথাই জানালেন রাবিশ কুমার। কিন্তু আদৌ ঠিক কবে তাঁদের দেশে ফেরানো সম্ভব হবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে তিনি কিছু বলতে পারেনি।





