কৃষকদের শান্তিপূর্ণ ট্রাক্টর র্যালি হওয়ার কথা ছিল এই বিশেষ দিনে।
পরিকল্পনা ছিল, কিষান একতাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা। শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করে সরকার তথা বিশ্ববাসীকে বার্তা দেওয়া। কিন্তু কৃষকদের সেই ‘অহিংস’ মিছিল অপ্রত্যাশিতভাবে হিংসাত্মক রূপ নেয়। ভাঙচুর, খোলা তরোয়াল নিয়ে পুলিশের উপর হামলার মতো ঘটনা তো ছিলই, শেষে যোগ হল দেশের ঐতিহ্য লালকেল্লার দখল নেওয়ার মতো ঘটনাও।
সাধারণতন্ত্র দিবসে বিক্ষোভকারীরা লাল কেল্লার তেরঙ্গার পরিবর্তে নিশান সাহিবের পতাকাও ওড়ান। অনেকে মনে করছেন, লালকেল্লায় যেভাবে অন্য পতাকা ওড়ানো হল, সেটা জাতীয় পতাকার অবমাননার শামিল।
স্বাভাবিকভাবেই, কৃষকদের র্যালি ঘিরে যে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি হল, তা থেকে এতদিন ধরে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে আসা রাজনৈতিক নেতারা দূরত্ব বাড়ানো শুরু করলেন। যেমন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী টুইটে বলে দিলেন, হিংসা কখনও কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। তাঁর কথায়,”যার উপরই আঘাত করা হোক না কেন, হিংসা কখনও কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এতে এই দেশই ভুগবে। তাই দেশের স্বার্থে কৃষক বিরোধী আইনগুলি প্রত্যাহার করা উচিত।” রাহুল একা নন, তাঁর দলের সাংসদ শশী থারুরও এই ঘটনার বিরোধিতা করেছেন। থারুর টুইট করে বললেন, এই ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। শৃঙ্খলাহীন এই আন্দলন মেনে নিতে পারছি না।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দিল্লি হিংসার পরই কিষান নেতারা এই ঘটনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারে যোগ সাজেশ দেখতে পেয়েছেন। যেমন, বিক্ষোভের নামে লালকেল্লায় যাঁরা নিশান সাহিবের পতাকা উত্তোলন করেছেন, তাঁদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছে বিক্ষোভকারী কৃষকদের অন্যতম সংগঠন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নও।
Most of farmer orgs who are part of the ongoing farmers’ agitation today held a meeting under chairmanship of Balbir Singh Rajewal. Sincere appreciation was conveyed to struggling farmers for extending an unprecedented response to Kisan Republic Day Parade: Samyukt Kisan Morcha
— ANI (@ANI) January 27, 2021
The concerned organisations discussed the violent incidents in New Delhi & concluded that Union Govt. has been severely shaken by this peasant agitation. Therefore, a dirty conspiracy was hatched with Kisan Mazdoor Sangharsh Committee & others…: Samyukt Kisan Morcha
— ANI (@ANI) January 27, 2021
এই সংগঠনের প্রধান রাকেশ টিকইতের দাবি, যারা বিক্ষোভে হিংসা ছড়াচ্ছে, তারা আসলে রাজনৈতিক দলের সদস্য। তাদের আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। কিছু রাজনৈতিক দল আমাদের বিক্ষোভকে কলুষিত করার চেষ্টা করেছে।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!