রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Election) জন্য নির্বাচন কমিশনের (election commission) তরফে ইতিমধ্যেই দিন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৮ই জুলাই হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। শুরু হয়েছে মনোনয়ন (nomination) প্রক্রিয়াও। গত বুধবার এই নিয়ে দিল্লিতে দেশের নানান রাজনৈতিক দলগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
এই বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্মিলিত প্রার্থী হিসেবে শরদ পাওয়ার থেকে শুরু করে ফারুখ আবদুল্লা, গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর মতো কয়েকজনের নাম উঠে আসে। কিন্তু এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার এই নির্বাচনে লড়তে রাজি হন নি। এরপর এই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাও। আজ, শনিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়ার প্রস্তাব অস্বীকার করেছেন ফারুখ আবদুল্লা।
বিবৃতি ফারুখ আবদুল্লা জানান যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নাম প্রস্তাব করেছেন বলে তিনি সম্মানিত। সম্মিলিত বিরোধী জোটের প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়তে তিনি চান না, সেই কারণে তিনি নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।
এই বিবৃতিতে ফারুখ লিখেছেন, “জম্মু-কাশ্মীর অত্যন্ত সঙ্কটজনক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণে এই সময়ে রাজ্যের মানুষদের পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত। আমি এখনও রাজনীতি চালিয়ে যেতে চাই এবং জম্মু-কাশ্মীরের জন্য ইতিবাচক কাজ করে যেতে চাই। সেই কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দৌড় থেকে আমি আমার নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং আমি বিরোধীদের প্রার্থীকে সবরকমভাবে সাহায্য করব”।
এর আগে মমতার প্রস্তাবিত করা নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন মারাঠি নেতা শরদ পওয়ার। তারপরই ফারুখের নাম প্রত্যাহার করা সিদ্ধান্তে বিজেপি বিরোধীরা বেশ স্বাভাবিকভাবে চাপে পড়ে গিয়েছে। এদিকে এই নিয়ে গেরুয়া শিবির কটাক্ষ করে বলে, “সবে তো শুরু। আরও ধাক্কা খাবেন মমতা”।





