করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এবার দেশের মানুষের কাছে দেখা দিল একটু আশার আলো। করোনা প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন-এর প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের ফলাফলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর প্রাথমিক পর্যায়ে এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে রোহতকের PGI হাসপাতালের কোভ্যাক্সিন ট্রায়ালের পর্যবেক্ষক ডাঃ সবিতা বর্মা বলেন, “ট্রায়ালের প্রথম পর্যায়ের প্রথম পর্বে ৫০ জন মানুষের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। এরপর এই ট্রায়ালের ফল যা এসেছে তা নিয়ে আমরা খুব খুশি এবং আগামী দিনের জন্য আশাবাদীও।” তিনি আরও জানান, “দ্বিতীয় পর্বের জন্য আরও ৬ জনের শরীরে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।” ভারতের মোট ১২টি প্রথম সারির হাসপাতালে প্রথম পর্যায়ে ৩৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এই ‘ভ্যাকসিন’ প্রয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
মনে রাখতে হবে কোনো ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হওয়ার আগে তাকে প্রি-ক্লিনিকাল ট্রায়ালের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। অর্থাৎ সেই পর্যায়ে বিভিন্ন প্রাণীর শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা। আশার খবর ‘কোভ্যাক্সিন’ সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পেরেছে। তাই এখন এটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ। ভাইরোলজিস্টদের মতে, বয়স, বর্ণ, ইমিউনিটি নির্বিশেষে বহু মানুষের উপর এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করতে হবে। মোট তিনটি ধাপে এই ট্রায়াল প্রক্রিয়া চালানো যায়। যার প্রথম পর্যায়ের প্রথম পর্বের ফলাফল ইতিমধ্যেই এসে গেছে এবং তা ভারতবাসীদের মনে উৎসাহের জন্ম দিয়েছে।





