আজ ভোররাতে মারা গেলেন গাজিয়াবাদের গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক বিক্রম যোশী। সোমবার রাতে গাজিয়াবাদের বিজয়নগরে বাড়ির কাছেই মোটরবাইক থামিয়ে, দুই মেয়ের সামনে ওই সাংবাদিককে প্রথমে মারধর ও পরে মাথায় গুলি করে দুষ্কৃতীরা।
সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এই ভয়ঙ্কর হামলার। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার ভোররাতে তিনি মারা যান।
https://twitter.com/MamataOfficial/status/1285790431725318145
ওই সাংবাদিকদের পরিবারের দাবি, নিজের ভাইঝিকে উত্ত্যক্ত করত কয়েকজন যুবক। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় সম্প্রতি অভিযোগ করেন বিক্রম যোশী। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেনি। ওই যুবকরাই বদলা নিতে হামলা চালায়। যদিও এই ঘটনায় নয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এদিকে এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইট করে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতিকে উল্লেখ করেছেন। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, দেশে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে। সাহসী সাংবাদিক বিক্রম যোশীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারকে আন্তরিক সমবেদনা জানাই। ভাইঝিকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ জানিয়ে এফআইআর করেছিলেন ওই সাংবাদিক। সেই কারণেই তাঁকে গুলি করে মারা হয়।
https://twitter.com/RahulGandhi/status/1285788695967051777
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও এই ঘটনায় নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কংগ্রেস প্রাক্তন সভাপতির ট্যুইট, ভাইঝিকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায়, সাংবাদিক বিক্রম যোশীকে খুন হতে হল।তাঁর শোকগ্রস্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ছিল রাম রাজ্যের প্রতিশ্রুতি, তার বদলে তৈরি হল গুন্ডারাজ।





