চলছে উৎসবের মরশুম। গতকালি গিয়েছে বড়দিন। সামনেই বর্ষশেষের উৎসব। অন্যদিকে আবার হু হু করে বাড়ছে করোনার প্রকোপ। চীনে মেলা নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ভারতের তরফে। সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে। এবার মাস্ক করা বাধ্যতামূলক করা হল হিমাচল প্রদেশের সরকারের তরফে। রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার জেরেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।
বর্ষশেষে হিমাচল প্রদেশে পর্যটকদের উপচে পড়ছে। আবার পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণও। সেই কারণেই বাধ্যতামূলক করল মাস্ক পরার নিয়ম হিমাচল প্রদেশ সরকার। সঠিকভাবে করোনাবিধি অনুসরণ করা হচ্ছে কী না, তাও দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শুভাশীষ পান্ডা বলেন, “রাজ্যে ক্রমশ করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়ছে। হাসপাতালে রোগী ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। যাদের কো-মর্ডিবিটি রয়েছে, তাদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি আরও বেশি। করোনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্য়ুও হয়েছে। এই বিষয়গুলি মাথায় রেখেই রাজ্যে সর্বত্র মাস্ক পরার নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে”।
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে কড়া নির্দেশ জারি করা হয়েছে যাতে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও নানান জনসমাগম স্থানে সকলে মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করেন। এর আগে শুধুমাত্র স্কুল ও স্বাস্থ্য দফতরেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ছিল।
বলে রাখি, বর্তমানে হিমাচল প্রদেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৯৩০। বিগত এক সপ্তাহে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২ হাজারে। কাঙ্গরা জেলা থেকে সবথেকে বেশি আক্রান্তের খোঁজ মিলছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। সেখানে ১২৪৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মান্ডিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ১০৮৩।





