এতদিন নাম ছিল মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। গোটা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার দেখভাল করত এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। বুধবার এই মন্ত্রকের নাম বদলে রাখা হল শিক্ষা মন্ত্রক। এদিন মন্ত্রকের নতুন নামে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। তবে সরকারিভাবে এই সংক্রান্ত কোন বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
১৯৮৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর আমলে নাম মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক রাখা হয়েছিল। এর প্রায় ৩৫ বছর পরে নাম বদলকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেই আখ্যা দিচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। সূত্রের খবর, নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির (National Education Policy) অঙ্গ হিসেবেই এই মন্ত্রকের নাম বদল করা হল। এদিনই ক্যাবিনেট বৈঠকে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিও ছাড়পত্র পায়। জানানো হয় মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণীর বোর্ডের পরীক্ষা এবার থেকে গুরুত্বহীন, অনার্স কোর্স এবার থেকে চার বছরের হবে, মাস্টার্স কোর্স এক বা দু বছরের হতে পারে, এমফিল উঠে যাচ্ছে।
ইসরোর প্রাক্তন প্রধান কে কস্তুরিরঙ্গনের নেতৃত্বে তৈরি জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়াতে এই নাম বদলের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও আরএসএসের একাধিক শাখাও চাইছিল এই নামবদল হয়ে যাক। তারপরই কেন্দ্রীয় সরকারের নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও অভিযোগ ছিল যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে ভুল বুঝিয়ে এই দপ্তরের নাম মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক করেন।
এছাড়া জাতীয় শিক্ষানীতিরও বদল ঘটেছিল তখন। ১৯৮৬ ও ১৯৯২ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির বদলে নতুন শিক্ষানীতির অধীনে ছাত্র-ছাত্রীদের পঠন-পাঠন করতে হবে। বিরোধীদের দাবি যে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞানের থেকে ধর্মের দিকে জোর দেবে। কিন্তু সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে এক্সট্রা ক্যারিকুলাম এক্টিভিটি বলে কিছু থাকবে না। বদলে মিউজিক, খেলাধুলা, হাতের কাজ সবই শিক্ষার মূল অংশ করে তোলা হবে।






