গত ২২ জানুয়ারি ভারতে সৃষ্টি হয়েছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে। এদিনই ৫০০ বছর পর বনবাস কাটিয়ে নিজের জন্মভূমি অয্যোধ্যায় ফিরেছেন শ্রীরামচন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের। প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। এরপর থেকেই রামমন্দিরে উপচে পড়ছে পুণ্যার্থীদের ভিড়। শুধুমাত্র হিন্দু পুণ্যার্থীই নন, রামলালার দর্শনে ভিড় বাড়াচ্ছেন মুসলিম পুণ্যার্থীরাও।
অয্যোধ্যায় ধরা পড়ল এক দারুণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির। আরএসএস নেতা ইন্দ্রেশ কুমারের নেতৃত্বে ভগবান রামলালার দর্শনে আসেন শ’য়ে শ’য়ে মুসলিম পুণ্যার্থীরা। একটি সদ্ভাব যাত্রায় অংশ নেন তারা। হাতে ভগবান রামের চিত্রাঙ্কিত গেরুয়া ধ্বজা ও মুখে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান উচ্চারণ করতে করতে রামলালার দর্শনে অযোধ্যা পৌঁছন তারা।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এক মুসলিম পুণ্যার্থী জানিয়েছেন, “আমাদের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ নেই। ভগবান রামের দর্শন করতে আসতে পেরে আমি নিজের ভাগ্যবান মনে করছি। রামলালার মন্দিরে আসতে পেরে আমার খুবই ভাল লাগছে”। ফের একবার অযোধ্যার রামমন্দির সাক্ষী থাকল এক সুন্দর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসেই জাতীয়তাবাদী মুসলিম সংগঠন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ বলেছিল, অযোধ্যার রামমন্দির স্থাপনের ঘটনায় ৭৪ শতাংশ মুসলিমই খুশি। এমনকি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তারা দেশের সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও মনে করেন বলে জানিয়েছিলেন তারা।
মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের কথায়, ভগবান রাম সকলের মধ্যে রয়েছেন। তারা এও বলেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রীর কথা যে শুধুমাত্র ভারতের মানুষই শোনে তা নয়, গোটা বিশ্বের মানুষই শোনেন ও গ্রহণও করেন। এরই মধ্যে এবার এক অনন্য সম্প্রীতি দেখা গেল অযোধ্যার রামমন্দিরে।





